সেতু তৈরি হলেও রাস্তা নেই, বঞ্চনার শিকার আত্রেয়ী পারের কয়েক হাজার বাসিন্দা

সমস্যা সমাধানে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮, ১৮:৩৫

options
link
সেতু তৈরি হলেও রাস্তা নেই, বঞ্চনার শিকার আত্রেয়ী পারের কয়েক হাজার বাসিন্দা

রাজা দাস, বালুরঘাট: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া পাগলিগঞ্জ সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে দিন কয়েক আগেই৷ কিন্তু, মূল সেতুর সঙ্গে সংযোগকারী রাস্তা না থাকায় নয়া সেতু ব্যবহার করতে পারছেন না আত্রেয়ী নদীর দুই পারে বসবাসকারী কয়েক হাজার বাসিন্দা৷ পুজোর আগে আদৌ সেতুর সঙ্গে রাস্তাটি যুক্ত হবে কি না তা নিয়ে উদ্বেগে বাসিন্দারা৷ জাতীয় সড়ক নির্মাণ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার জেরেই এই সমস্যা বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের৷ সমস্যা সমাধানে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ৷

Advertisement

[দাদাকে পুড়িয়ে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা ২ তরুণীর, ময়ূরেশ্বরে চাঞ্চল্য]

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের মধ্যে থাকা পাগলিগঞ্জ এলাকায় আত্রেয়ী নদীর উপর তৈরি হয়েছে এই সেতু। এই সেতুর পূর্বপ্রান্তে রয়েছে পাগলিগঞ্জ। জাতীয় সড়ক বরাবর পাগলিগঞ্জ থেকে বালুরঘাট বা মালদহের দিকে রয়েছে সরাসরি যোগাযোগ৷ সেতুর পশ্চিমপ্রান্তে রয়েছে খাসপুর, বোয়ালদার এলাকা৷ সেখান থেকে তপন এলাকার সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে গ্রামীণ সড়ক পথে৷ আত্রেয়ী নদীর দু’পারের অসংখ্য গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের বসবাস৷ দু’পারের মানুষের যোগাযোগ রক্ষার্থে এতদিন নৌকা ও সাঁকোই ছিল একমাত্র ভরসা৷

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[একগুচ্ছ কর্মসূচি রূপায়ণে চারদিনের পাহাড় সফরে মুখ্যমন্ত্রী]

Advertisement

দু’পারের যোগাযোগ সমস্যা দূর করতে আত্রেয়ী নদীর উপর সেতু তৈরির দাবি ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের৷ বামেদের সময়ে মানুষের সেই দাবি পূরণ হয়নি৷ অবশেষে তৃণমূল ক্ষমতায় আসতেই মানুষের দাবিগুলি গুরুত্ব পায়৷ বর্তমান রাজ্য সরকার সেখানে সেতু তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ ২৬০ মিটার দৈর্ঘের সেতু তৈরিতে খরচ হয় ২৭ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা৷ ন্যাশনাল হাইওয়ে ডিভিশনের অধীনে ম্যাকিনটসবার্ণ কাজ শুরু করে ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। পরে আরও কিছু বরাদ্দ বাড়ে৷ বর্তমানে ৮টি পিলারের উপর পাটাতনের কাজ সমাপ্ত হয়ে গিয়েছে৷  কিন্তু, পশ্চিম প্রান্তের সংযোগকারী ৮৬৭মিটার রাস্তা হলেও তা যুক্ত করা হয়নি সেতুর সঙ্গে৷ আবার পূর্ব-প্রান্তের ২৯৭ মিটার সংযোগকারী রাস্তার কিছুই হয়নি৷ অথচ, নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই৷ খাসপুর এলাকার বাসিন্দা পরিমল চন্দ্র সরকার জানান, জেলার মধ্যে দীর্ঘতম সেতু এইটি৷ রাজ্য সরকারের উদ্যোগে তারা সবাই খুশি সেতু তৈরি হওয়ার কারণে৷ ইতিমধ্যে সেতুর কাজ সমাপ্ত হয়েছে৷ কিন্তু, সংযোগকারী রাস্তা সম্পূর্ণ হয়নি৷ ন্যাশনাল হাইওয়ে ডিভিশন এই ব্যাপারে উদাসীন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের৷ তাঁদের দাবি,  সংযোগকারী রাস্তা তৈরিতে কর্তৃপক্ষ নজর দিক। তাহলে অন্তত পুজোর মুহূর্তে তারা সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন সদর এলাকার সঙ্গে৷ রাজ্য সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিতে পারবে বলেই আশাবাদী তাঁরা৷

[ইটাহারের তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত, সাদা গাড়ির সূত্র ধরেই কিনারা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.