Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nepal Flash Flood

নেপালের ধ্বংসস্তূপে কমপক্ষে ২০ দেহের হদিশ দিয়েছে ভারতের ‘সাম্বা’, কীভাবে কাজ করেছে চারপেয়ে?

সাম্বার কাজের সময় সর্বদা তার সঙ্গে থাকে এক জন 'প্রাইমারি হ্যান্ডলার' এবং এক জন সহযোগী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৩:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৩:০৮

options
link
নেপালের ধ্বংসস্তূপে কমপক্ষে ২০ দেহের হদিশ দিয়েছে ভারতের ‘সাম্বা’, কীভাবে কাজ করেছে চারপেয়ে? zoom
নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী কে-নাইন ইউনিটের অন্যতম সদস্য সাম্বা।
Advertisement

বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রাণের সন্ধান মেলার আশা ছেড়েই দিয়েছেন নিখোঁজদের পরিজনরা। কিন্তু একা নেপালের সেনা-পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষী, বিপর্যয় মোকাবিলা রক্ষী বাহিনীর সদস্যরাই যে এখনও প্রাণপাত করে কাদামাটির স্রোত, ঘরবাড়ির ভাঙা টুকরো, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে মৃতদেহ খুঁজে বেড়াচ্ছেন তা নয়। দেহ খুঁজছে সারমেয় বাহিনীও। তারা বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। যেমন সাম্বা। সাম্বা ল্যাব্রাডর গোত্রের চারপেয়ে এবং সে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (আর্মড পুলিশ ফোর্স) কে-নাইন ইউনিটের অন্যতম অংশ।

একটি চমকপ্রদ বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই চতুষ্পদটির। আর সেটি হল, তাকে আনা হয়েছিল নেপালেরই পড়শি দেশ ভারত থেকে। তারপর দেওয়া হয়েছিল প্রশিক্ষণ কে-নাইন ইউনিটের অন্যান্য চতুষ্পদের সঙ্গে। এই ইউনিটের সারমেয়দের বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে মানুষের দেহের গন্ধ চিনে, ধ্বংসস্তূপের কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বের করতে। আর সাম্বা সেই দায়িত্বই পালন করেছে নিষ্ঠাভরে। কাদামাটির তাল হাতড়ে, শুধু গন্ধ শুঁকে, শুঁকে সে রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকা থেকে ২০টি দেহের সন্ধান পেতে সাহায্য করেছে সেনা-পুলিশের দলটিকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কীভাবে এই কাজ এত নিপুণভাবে করতে পেরেছিল সাম্বা? তাকে প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাই বলছেন, মাটি শুঁকতে শুঁকতে এগিয়ে যেত সাম্বা। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলেই দাঁড়িয়ে যেত। তারপর জোরে জোরে ডাকতে থাকত। তখনই সিগন্যাল পেয়ে যেতেন তার হ্যান্ডলাররা। তৎক্ষণাৎ তাঁরা এগিয়ে এসে ওই জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ি করতে শুরু করতেন। তারপরই দেহ উদ্ধার হয়। সাম্বার কাজের সময় সর্বদা তার সঙ্গে থাকে এক জন ‘প্রাইমারি হ্যান্ডলার’ এবং এক জন সহযোগী। এঁরা দু’জনই নিরাপত্তারক্ষী। আর দু’জনের কাঁধেই ন্যস্ত রয়েছে, সাম্বার আচরণ দেখে বোঝার, যে সে কী বোঝাতে চাইছে। কখনও কখনও চলতে চলতে সাম্বা থমকে দাঁড়ায়, কোনও একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বার বার ঘুরতে থাকে। কখনও বসে পড়ে, পায়ের নখ দিয়ে মাটি খোঁচায়। এই সব কিছুই ‘সাইন’, যার অর্থ কেবল তার সঙ্গে থাকা হ্যান্ডলার ও সহযোগীরাই বুঝতে পারেন। প্রসঙ্গত, নেপালে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী উদ্ধারকাজে সাম্বার মতো আরও পাঁচটি সারমেয়কে কাজে লাগিয়েছিল। নেপাল সেনা নিয়োজিত করেছিল আরও ছ’টিকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.