Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
CPM

জোর যার ‘আসন’ তার! ধরাবাঁধা নিয়ম ভেঙে শরিকদের বার্তা সিপিএমের

রেজিনগর উপনির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী দেওয়ায় শরিক আরএসপি চরম অসন্তুষ্ট, তাদের উদ্দেশেই এই বার্তা।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৯:০৪

link
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৯:০৪

options
link
জোর যার ‘আসন’ তার! ধরাবাঁধা নিয়ম ভেঙে শরিকদের বার্তা সিপিএমের zoom
শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টনে এবার নয়া ফর্মুলা সিপিএমের
Advertisement

বামফ্রন্টে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে এতদিন চলে আসা ‘বাঁধাধরা’ নিয়মে এবার বদলের ইঙ্গিত। ১৯৮২ সাল থেকে যে পদ্ধতিতে বিভিন্ন শরিক দলের মধ্যে আসন বণ্টন হয়ে এসেছে, তা আর অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলার পক্ষপাতী নয় সিপিএম। বরং যে আসনে যে দলের সাংগঠনিক শক্তি বেশি, সেই শক্তিকেই আসন বণ্টনের প্রধান মাপকাঠি করার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করে কার্যত শরিকদের সেই বার্তাই দিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।

এতদিন বামফ্রন্টের আসন বণ্টনে ঐতিহাসিকভাবে কোন দল কোন আসনে লড়েছে, সেই ‘সিটিং অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বা প্রচলিত সমঝোতার বিষয়টি বড় ভূমিকা নিত। কিন্তু গত কয়েক বছরে বামেদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দলের সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। সেই বাস্তবতাকেই এবার শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রেও চালু করতে চাইছে সিপিএম।

রেজিনগর আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বামফ্রন্টের শরিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সেই আসনে সিপিএমের প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তে শরিকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ। তবে সেই অসন্তোষকে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে সংগঠনের বাস্তব শক্তির ভিত্তিতে আসন বণ্টনের নতুন নীতি কার্যকর করার দিকে এগোতে চাইছে সিপিএম।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এতদিন বামফ্রন্টের আসন বণ্টনে ঐতিহাসিকভাবে কোন দল কোন আসনে লড়েছে, সেই ‘সিটিং অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বা প্রচলিত সমঝোতার বিষয়টি বড় ভূমিকা নিত। কিন্তু গত কয়েক বছরে বামেদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দলের সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। সেই বাস্তবতাকেই এবার শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রেও চালু করতে চাইছে সিপিএম। পার্টির একাংশের যুক্তি, কোনও আসনে যে শরিক দলের সংগঠন কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে, শুধুমাত্র অতীতের সমঝোতার কারণে সেই আসন তাদের হাতে তুলে দেওয়ার অর্থ সংগঠনের বাস্তবতাকে অস্বীকার করা।

উলটোদিকে, যেখানে সিপিএম বা অন্য কোনও বাম শরিকের সাংগঠনিক উপস্থিতি ও লড়াইয়ের ক্ষমতা বেশি, সেখানে সেই দলকে প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মত আরেকাংশের। যদিও নন্দীগ্রাম আসনটিকে ব্যতিক্রমী বলে ধরছেন বামফ্রন্ট নেতারা। রেজিনগরকে ঘিরে শরিকদের অসন্তোষ তাই শুধু একটি আসনের প্রার্থী বাছাইয়ের বিরোধ নয়, বামফ্রন্টের ভবিষ্যৎ আসন সমঝোতার পদ্ধতি নিয়েও বড় প্রশ্নের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.