অর্ণব দাস, বারাকপুর: আগামী বছর পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নিজেদের মতো করে রণকৌশল তৈরি করতে শুরু করেছে সব রাজনৈতিক দল। এই পরিস্থিতিতে কামারহাটির সভা থেকে বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) সাফ জানালেন, অশান্তি করে পঞ্চায়েত দখল করা হবে না। পাশাপাশি কাজে শ্রেষ্ঠত্বের নিরিখে বিধায়ক হওয়া উচিত, তাও বুঝিয়ে দিলেন।
শনিবার রাতে কামারহাটিতে তৃণমূলের (TMC) তরফে মিলন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ছিলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী-সহ অন্যান্যরা। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের প্রসঙ্গ তোলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। সেখানে তিনি বলেন, “একটাই অনুরোধ, মেরে পঞ্চায়েত নিয়ে নেব এই চিন্তা থেকে সরে যান। মারধর করে পঞ্চায়েত নিতে চাই না। হৃদয়ে লেখা নাম রয়ে যাবে। প্রত্যেক মানুষের কাছে গিয়ে কথা বলতে হবে। তৃণমূলের কোনও ভুল থাকলে কর্মীরা এসে নেতাকে বলুন এই কাজ ঠিক করেননি। তারপর যদি কর্মীর উপর আক্রমণ হয়, আমরা দায়িত্ব নেব। কিন্তু নেতার অন্যায় হলেও নেতাকে বলতে হবে।” এরপরই তিনি বলেন, “প্রয়োজনে যে শ্রেষ্ঠ কাজ করবে তার গলায় উত্তরীয় নয় বিধায়কের মালা পরিয়ে কামারহাটি থেকে বিদায় নেব।”
[আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় ইডির জেরার পর বীরভূমে ফিরেই পুলিশের জালে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ টুলু মণ্ডল]
ওই অনুষ্ঠানে সৌগত রায় বলেন, “শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোট হোক, সবাই ভোট দিক। আমরাও দলের মধ্যে ঝাড়াই বাছাই করি। এটাও বলার সময় এসেছে যে, যারা আর্থিক সুবিধার জন্য এসেছিলেন তাঁদের দল থেকে সরে যাবার সময় এসেছে। আমাদের ৯৫ শতাংশ কর্মী সৎভাবে কাজ করেন। আমরা চাই না কিছু লোক তাঁদের ব্যাক্তিগত সুবিধার জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করুক। তৃণমূলের লড়াই নিজের সঙ্গে।” সৌগত রায়ের মন্তব্যে ফের দানা বেঁধেছে বিতর্ক।
[আরও পড়ুন: সাতসকালে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার নির্মীয়মাণ বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ! জখম ২]
সর্বশেষ খবর
-
ডিএমকের সঙ্গ ছাড়ল আরও এক জোটসঙ্গী, ‘নিঃসঙ্গ’ স্ট্যালিন কি এবার বিজেপির সঙ্গী?
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য