রুটিন মেনেই ফাঁস, সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমিকের ‘ভূতুড়ে’ প্রশ্ন

পরীক্ষা শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯, ১৬:০৭

options
link
রুটিন মেনেই ফাঁস, সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমিকের ‘ভূতুড়ে’ প্রশ্ন

দীপঙ্কর মণ্ডল: মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর দশ মিনিটের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল প্রশ্ন। মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষার দিন ভাইরাল এই প্রশ্ন নিয়ে তোলপাড় রাজ্যের শিক্ষামণ্ডল। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল অন্য দিনের রুটিন মেনে এদিনও প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। যদিও, পরে দেখা যায় যে প্রশ্নটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে সেই প্রশ্নের সঙ্গে আসল প্রশ্নের মিল নেই। তবে পর্ষদের এক সূত্রের দাবি ছিল, এটা মাধ্যমিকেরই বিকল্প সেটের প্রশ্ন। যদিও, পর্ষদের তরফে সেই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পর্ষদ জানিয়েছে এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার সঙ্গে ওই প্রশ্নের কোনও মিল নেই। তাহলে কোথা থেকে এল এই ভূতুড়ে প্রশ্ন? সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়িয়ে পড়া প্রশ্ন পত্রটি মনগড়া হতে পারে, বা কোনও টেস্ট পরীক্ষা বা পূরনো মাধ্যমিকের প্রশ্ন হতে পারে। তাই পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পর্ষদ সূত্রের খবর। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে কিনা তাও ভেবে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

 

Advertisement

[রাতভর ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল যাদবপুর, বিকেলে ধিক্কার মিছিল]

গত মঙ্গলবার শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রথম দিনেই ফাঁস হয়ে যায় বাংলা ভাষা বাংলার প্রশ্নপত্র৷ সেদিন পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা পর হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্ন। পরের পরীক্ষাগুলিতেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষার দিনও দুপুর ১২ টা ১০ মিনিটের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে একটি ভূতুড়ে প্রশ্ন। তা নিয়েই এখন যাবতীয় জল্পনা। এদিন প্রশ্ন ফাঁস রুখতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।এমনকী বেশ কিছু এলাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রের আশেপাশে ইন্টারনেটে নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। আর তাতেই সম্ভবত এদিনের আসল প্রশ্নপত্র ফাঁস রোখা গেল। তবে, ওই ভূতুড়ে প্রশ্নপত্রটি নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। 

Advertisement

[হ্যাকারদের নিশানায় কলকাতা পুরসভা, চেক ‘ক্লোন’ করে টাকা গায়েব]

এই মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বর্তমানে রুটিন ঘটনা হয়ে গিয়েছে বলে কটাক্ষ করেছে শিক্ষা মহল৷ নজিরবিহীন এই ঘটনায় যথেষ্ট বিরক্তি এবং হতাশা তাঁরা৷ পাশাপাশি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাকে কৌতুকের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন অনেকে। প্রচুর মিম ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ সূত্রের খবর, এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যথেষ্ট চাপে পড়েছেন পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়৷ পর্ষদ সূত্রে খবর, ২২ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক শেষ হওয়ার পর সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন তিনি৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.