বাবুল হক: টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত প্রায় গোটা পশ্চিমবঙ্গ। শহর কলকাতার পাশাপাশি জমা জলে নাকাল রাজ্যের বিভিন্ন এলাকাও। আশার খবর শোনাতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তরও। আগামী কয়েকদিন এভাবেই বৃষ্টি চলবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যেই মালদা জেলায় ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বৃষ্টিতে গোটা বাড়ি শর্ট সার্কিট হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক দম্পতির।
[পুলিশের গুলিতে মারাত্মক জখম ইনস্পেক্টর, চাঞ্চল্য ডানকুনিতে]
মালদার ইংলিশবাজার পুরসভার দক্ষিণ বালুরচর এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা। সেখানেই বাপের বাড়ি তিরিশ বছরের সুস্মিতা দাসের। স্বামী গোবিন্দ দাসের(৩৫) সঙ্গে কিছুদিন আগেই বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি। বুঝতে পারেননি কখন টানা বৃষ্টির কারণে পুরো বাড়ির বিদ্যুতের লাইন শর্ট সার্কিট হয়ে রয়েছে। অজান্তেই সুইচ বোর্ডে হাত দিয়ে ফেলেন সুস্মিতা। সুইচে হাত আটকে যায় তাঁর। স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন গোবিন্দও। পুরো বাড়ির মেন সুইচ বন্ধ করতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়। এর পরই সুস্মিতা-গোবিন্দকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
[বসিরহাট কাণ্ডে উসকানি, বিজেপি নেত্রীর বিরুদ্ধে জোড়া এফআইআর]
ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা। স্থানীয় বিদ্যুৎ দপ্তরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দম্পতির মৃত্যুর জন্য দপ্তরের কর্মীদের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন তাঁরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে এলাকায়। অনেক বাড়িতেই এমন শর্ট সার্কিটের সমস্যা হচ্ছে বারবার। একাধিকবার বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের খবর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেউ আসেননি। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের উদাসীনতার জন্যই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। যদিও এই ঘটনার পর স্থানীয় বিদ্যুৎ দপ্তরের তরফ থেকে কারও কোন প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!