Malda

বাংলাদেশি হয়েও বৈষ্ণবনগরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান! মালদহে আরও এক ‘লাভলি’র খোঁজ

যদিও চেমানি বিবি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
বাংলাদেশি হয়েও বৈষ্ণবনগরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান! মালদহে আরও এক ‘লাভলি’র খোঁজ
ছবির একপাশে লাভলি। অন্যদিকে চেমানি বিবি।

হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল পরিচালিত রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলাদেশি প্রধান লাভলি খাতুনের পর এবার বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান চেমানি বিবি। অভিযোগ, তিনিও বাংলাদেশের নাগরিক। ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ওবিসি সার্টিফিকেট থেকে যাবতীয় পরিচয়পত্র সবই জাল নথি দিয়ে তৈরি করেছেন চেমানি। তথ্য প্রমাণ-সহ অভিযোগ করা হয়েছে জেলা পুলিশ সুপার, মহকুমা শাসক, বিডিও-র কাছে। মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। চেমানি বিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

যদিও চেমানি বিবি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি পালটা দাবি করেন, “আমি মালদহের বাসিন্দা। আমার দাদু-দিদার জন্ম এখানে। প্রধান আটকানোর জন্য এটা বলা হচ্ছে। সবই মিথ্যে। এটা ষড়যন্ত্র। আগে যিনি প্রধান ছিলেন তিনি ষড়যন্ত্র করছেন।”

মালদহের (Malda) পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন, “সবদিক খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অভিযোগ, চেমানি বিবি বাংলাদেশের চাপাইনবয়াবগঞ্জের শিবগঞ্জের বাসিন্দা। সেখানেই বিয়ে হয়। সেই নিকাহনামা আছে। তাঁর স্বামী বাংলাদেশি। ৫ বছরের শিশু সন্তান নিয়ে তিনি ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন। পরে আবার ভারতে এসে নিকাহ করেন। তাঁর বাবার এখনও বাংলাদেশের ভোটার কার্ড আছে। আবার ভারতেও আছে। যদিও ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সকলের নামই ডিলিট করেছে।

Advertisement

ঋতব্রত তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ২০২৩ সালে তৎকালীন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব বাংলাদেশিদের এনে জাল ডকুমেন্টস তৈরি করে প্রার্থী করেছে। যাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন রয়েছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রের এজেন্সি দিয়ে এদের জেরা করার দাবি তুলেছেন তিনি। যদিও চেমানি বিবি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি পালটা দাবি করেন, “আমি মালদহের বাসিন্দা। আমার দাদু-দিদার জন্ম এখানে। প্রধান আটকানোর জন্য এটা বলা হচ্ছে। সবই মিথ্যে। এটা ষড়যন্ত্র। আগে যিনি প্রধান ছিলেন তিনি ষড়যন্ত্র করছেন।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, এর আগে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল পরিচালিত রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন বাংলাদেশি লাভলি খাতুন। তিনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে অভিযোগ ওঠে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাঁর প্রধান, পঞ্চায়েতের সদস্যপদ এবং ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে প্রশাসন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.