Mamata Banerjee

সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী! রয়েছে একগুচ্ছ কর্মসূচিও

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ঘাটালের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। বারবার এই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণে তা বারবার আটকে গিয়েছে।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৭:০৭

options
link
সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী! রয়েছে একগুচ্ছ কর্মসূচিও
ফাইল ছবি।

দু’দশক পর ভোটের বাংলায় ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে সিঙ্গুরে! গত কয়েকদিন আগেই সেখানে সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু শিল্প নিয়ে একটা কথাও বলেননি তিনি। যা নিয়ে আশাহত সেখানকার মানুষ। সেই আবহে আজ, বুধবার সেই সিঙ্গুর থেকেই একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস, সরকারি পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি রাজনৈতিক সভাও করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুধু তাই নয়, বহু প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানেরও উদ্বোধন তিনি করতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ঘাটালের তিনবারের সাংসদ দীপক আধিকারী, রাজ্যের জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুইয়াঁ।

Advertisement

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ঘাটালের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। বারবার এই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণে তা বারবার আটকে গিয়েছে। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ঘাটালবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য কেন্দ্রের অপেক্ষায় থাকতে হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রাজ্য সরকারই করে দেবে। এজন্য রাজ্য বাজেটে প্রাথমিকভাবে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এরপরেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে যায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। অবশেষে বঙ্গ বিধানসভা ভোটের আগেই ঐতিহাসিক সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করবেন বলে জানা গিয়েছে । ওই প্রকল্পের বাস্তবায়নে উপকৃত হবেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৭টি ব্লক, যেমন ঘাটাল, দাসপুর-১ ও ২, চন্দ্রকোনা-১ ও ২, কেশপুর এবং ডেবরা ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের ৪টি ব্লক— পাঁশকুড়া-১, কোলাঘাট, ময়না এবং তমলুকের মানুষ। তা ছাড়াও ঘাটাল ও পাঁশকুড়া পুরসভা রয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ১০ লক্ষ মানুষকে জল-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এছাড়াও নন্দীগ্রামের এই সভা থেকে শিল্প সংক্রান্ত বড় কোনও ঘোষণাও মুখ্যমন্ত্রী করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে সিঙ্গুরের বারুইপাড়া পলতাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দ্রখালি এলাকায় এদিন লক্ষাধিক উপভোক্তার হাতে রাজ্যের আবাসন প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’র অনুমোদনপত্র তুলে দেবেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রধানমন্ত্রীর সভার পর তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের সভা থেকে তার জবাবও তিনি দিতে পারেন। অন্যদিকে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় দু’লক্ষ লোক হাজির করানোর টার্গেট নিয়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। যাতে ২ লক্ষ লোক ধরানো যায়, তাই বড় মাঠ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবারই জানিয়েছেন মন্ত্রী বেচারাম মান্না। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদির সভায় প্রায় ৪০ হাজার লোক হয়েছিল। আমাদের টার্গেট দু’লক্ষ মানুষের সমাগম। তাই যেখানে দু’লক্ষ মানুষ ধরবে, সেখানেই আমাদের সভা করতে হবে।”

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন