Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Durgapur

‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের

অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি ওই জায়গার উপর নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে গাড়ি পার্কিং নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১০:১৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১০:১৩

options
link
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের zoom
কড়া বার্তা পুলিশের।
Advertisement

রাস্তা কিংবা ফুটপাত আটকে পার্কিং নয়। তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কিন্তু এরপরই অনেক জায়গাতেই বদল হয়নি পরিস্থিতির। যেমন, দুর্গাপুরের বিধান নগরের বেসরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকাকে ঘিরে অবৈধভাবে পার্কিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। যার ফলে চরম হয়রানির মধ্যে সাধারণ মানুষকে। আর এই অভিযোগেই এবার কড়া হুঁশিয়ারি পুলিশের। হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় সরকারি জমিতে সিন্ডিকেট করে পার্কিং যে বরদাস্ত করা হবে না, তা স্পষ্ট বার্তা পুলিশের। ‘দাবাং’ আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি, ‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি জায়গাকে ঘিরে কয়েকজনের এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ফলে বিষয়টি শুধুমাত্র পার্কিং সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না। এর সঙ্গে সরকারি জায়গা দখল, প্রভাব খাটানো এবং সিন্ডিকেটের অভিযোগও জড়িয়ে রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের মিশন হাসপাতালের আশপাশে রাস্তার ধারে থাকা সরকারি জায়গায় গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি ওই জায়গার উপর নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে গাড়ি পার্কিং নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। সেখানে সাধারণ মানুষ গাড়ি রাখতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। শুধু বাধা দেওয়াই নয়, গাড়ি রাখতে আসা মানুষজনের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। প্রত্যেকদিন ওই হাসপাতালে বহু মানুষ আসেন। সরকারি হাসপাতালের মধ্যে নির্দিষ্ট কোনও পার্কিং নেই। ফলে বাইরেই রাখতে হয় গাড়ি।

Advertisement

কিন্তু অভিযোগ, স্থানীয় বেশ কয়েকজন সরকারি জমি দখল করে পার্কিং নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। সোমবার এমনই একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এক মহিলা ও তাঁর স্বামী চিকিৎসার প্রয়োজনে হাসপাতালে এসেছিলেন। রাস্তার ধারের ফাঁকা জায়গায় গাড়ি রাখতে গেলে কয়েকজন তাঁদের বাধা দেন বলে অভিযোগ। এরপর শুরু হয় বচসা। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার পরেই প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি জায়গায় কে গাড়ি রাখবেন বা রাখবেন না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কি কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রয়েছে? হাসপাতালের সামনে রোগী নিয়ে আসা সাধারণ মানুষকে পার্কিংয়ের জন্য যদি বাধার মুখে পড়তে হয়, তাহলে প্রশাসনের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি জায়গাকে ঘিরে কয়েকজনের এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ফলে বিষয়টি শুধুমাত্র পার্কিং সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না। এর সঙ্গে সরকারি জায়গা দখল, প্রভাব খাটানো এবং সিন্ডিকেটের অভিযোগও জড়িয়ে রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের।এই পরিস্থিতিতেই পুলিশের কড়া বার্তা সামনে এসেছে। হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় কোনও ধরনের দাদাগিরি, বেআইনি দখলদারি বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা হলে তা বরদাস্ত করা হবে না। সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব পুলিশের এই কড়া হুঁশিয়ারির পরেই সতর্ক হয়ে যায় অবৈধ কারবারিরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.