BJP

বিজেপি বিধায়কের মুখে গালিগালাজ, ভাইরাল ভিডিও, থানায় অভিযোগ আতঙ্কিত যুবকের

বিজেপি বিধায়কের এহেন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ২০:২৪

options
link
বিজেপি বিধায়কের মুখে গালিগালাজ, ভাইরাল ভিডিও, থানায় অভিযোগ আতঙ্কিত যুবকের

বিজেপির পথসভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মাইক হাতে এক যুবককে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছিল বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের বিরুদ্ধে ৷ এবার স্বপন মজুমদারের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো ও গালিগালাজ করার লিখিত অভিযোগ থানায় জানালেন আতঙ্কিত ওই যুবক৷ তাঁর দাবি, ”বিধায়ক যেভাবে মাইকে আমাকে ভয় দেখিয়েছেন, তাতে আমি আতঙ্কিত। আতঙ্কের মধ্যে আছে আমার পরিবারও। সে কারণেই থানায় অভিযোগ করেছি ৷”

Advertisement

আতঙ্কিত ওই যুবকের নাম সঞ্জয় দে। বাড়ি গাইঘাটা থানার চাঁদপাড়া ঢাকুরিয়া এলাকায়। চাঁদপাড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বিজেপির তরফে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বক্তব্য রাখছিলেন বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার। বক্তব্য রাখার সময় ওই যুবক, সঞ্জয়কে বিজেপি বিধায়ক গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে বিজেপি নেতার সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে দেখেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, স্বপন মজুমদার মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখছেন৷ তখন এক যুবক এসে বলছেন, আমরা ভয় পাই না ৷ বক্তব্য থামিয়ে স্বপন তাকে জিজ্ঞাসা করে, এই তুমি কি তৃণমূল কর! ওই যুবক মাথা নেড়ে বলতে থাকেন, না না আমি তৃণমূল করি না। এরপরেই স্বপন অসভ্য গালিগালাজ করতে থাকে ওই যুবকের উদ্দেশ্যে৷ এরপরেই ওই যুবক ওখান থেকে চলে যান৷

Advertisement

 

Advertisement

বিজেপি বিধায়কের এহেন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। তিনি বলেন, ”এটাই বিজেপির সংস্কৃতি৷ সমাজকে কুলুষিত করছে৷ ওদের দলের কর্মীকেই যে ভাষায় কথা বলেছে সেটা সভ্য সমাজের ভাষা নয়৷” অবশ্য তার ওই বক্তব্যের সাফাই দিয়ে স্বপনবাবু বলেন, ”চাঁদপাড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় আমরা পথসভা করছিলাম। ওটা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের ঘাঁটি।” বিজেপি বিধায়কের দাবি, ”মদ্যপ অবস্থায় যুবক সামনে চলে আসে৷ তখন তাঁকে শায়েস্তা করতে কথাগুলো বলতে বাধ্য হয়েছিলাম৷ এটা আমাদের সংস্কৃতি নয়৷ আমি ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছিলাম।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.