TMC

আরামবাগে দল ছাড়লেন TMCP’র জেলা সভাপতি, তৃণমূলে ধাক্কা বারাসত-মুর্শিদাবাদেও

দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৩, ০৯:৫৮

options
link
আরামবাগে দল ছাড়লেন TMCP’র জেলা সভাপতি, তৃণমূলে ধাক্কা বারাসত-মুর্শিদাবাদেও

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: পঞ্চায়েত ভোটের আগে একাধিক জেলায় দল ছাড়লেন তৃণমূল (TMC) নেতা-কর্মীরা। শনিবার হুগলি, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এই ছবি ধরা পড়েছে। কোথাও দলত্যাগ করেছেন তো কোথাও আবার সরাসরি অন্য দলে যোগ দিয়েছেন তাঁরা। তবে এর প্রভাব যে পঞ্চায়েত ভোটে বা দলের সংগঠনে পড়বে না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর কোনও প্রভাব দলে পড়বে না।

Advertisement

ফেসবুকে পোস্ট করে পদ ছাড়েন আরামবাগ সাংগঠনিক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। শুধু পদ নয়, দলত্যাগও করেছেন মাহমুদুল করিম ওরফে পাপ্পু। তবে কী কারণে এই সিদ্ধান্ত সেই বিষয়টা এখনও পরিষ্কার নয়। ফেসবুকে পোস্ট করে দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর থেকে দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন এই সিদ্ধান্ত সেই বিষয়টা পরিষ্কার নয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সেজে হুমকি! কোটি টাকার টেন্ডার পাসে চাপ পূর্ব রেলের জিএমকে]

এদিকে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ আনারুল হক বিপ্লবও তৃণমূল ছেড়েছেন। যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসে।দলত্যাগের পর তিনি বলেন, “তৃণমূলে কোনও দলীয় নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। দুর্নীতিতে ছেয়ে গিয়েছে সমগ্র দলটা। দলের প্রতি আস্থা হারিয়ে কংগ্রেসে ফিরে এলাম।” জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলে চেয়ারম্যান বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল এই দলত্যাগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপ্লবকে অনেক আগে দল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। উনি জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি সাংসদ খলিলুর রহমানের ভাইপো হওয়ায় আমরা তাঁকে দলে গুরুত্ব দিয়ে চলছিলাম। ওর দলত্যাগে কোনও ক্ষতি হবে না।”

Advertisement

আবার উত্তর ২৪ পরগনায় তৃণমূল ছেড়ে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী যোগদান করলেন কংগ্রেসে। শনিবার বারাসতে কংগ্রেসের জেলা কার্যালয়ে যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্য এবং জেলা নেতৃত্বরা। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সম্পাদক সজল দে, সহ-সভাপতি আবদুল সাত্তার, জেলা সভাপতি অমিত মজুমদার-সহ অন্যান্যরা। যোগদান প্রসঙ্গে সজল দে বলেন, “তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন ১০০ জনের বেশি নেতা-কর্মী কংগ্রেসে যোগদান করলেন। তাঁদের বেশিরভাগই হাবড়া ২ নম্বর ব্লকের বাঁশপুল এলাকার। যোগদানকারীদের মধ্যে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ পাইক, প্রাক্তন প্রধান, উপ-প্রধান রয়েছেন।”

[আরও পড়ুন: রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পরই নিরাপত্তায় কড়াকড়ি, একগুচ্ছ নির্দেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.