Massive Fire

মঙ্গলেই অমঙ্গল! নরেন্দ্রপুর ও উলুবেড়িয়ার কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি

দমকল বাহিনীর ১০ ঘণ্টার চেষ্টার পরেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি পরিস্থিতি। রাতভর জ্বলতে থাকা আগুনের গ্রাসে পুড়ে ছাই প্রায় কোটি কোটি টাকার সামগ্রী। নরেন্দ্রপুরে কালি তৈরির কারখানায় আগুনেও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১১:০৯

options
link
মঙ্গলেই অমঙ্গল! নরেন্দ্রপুর ও উলুবেড়িয়ার কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি
মঙ্গলবার সকালে উলুবেড়িয়া ও নরেন্দ্রপুরে বিধ্বংসী আগুন।

মঙ্গলবার সকালেই নেমে এল অমঙ্গলের ছায়া। উলুবেড়িয়ার পাটের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন। দমকল বাহিনীর ১০ ঘণ্টার চেষ্টার পরেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি পরিস্থিতি। রাতভর জ্বলতে থাকা আগুনের গ্রাসে পুড়ে ছাই প্রায় কোটি কোটি টাকার সামগ্রী। নরেন্দ্রপুরে কালি তৈরির কারখানায় আগুনেও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা।

Advertisement

বিধ্বংসী আগুন গিলে খেল কোটি কোটি টাকার সামগ্রী। আগুনে ভষ্মীভূত হয়ে গেল বাউড়িয়ার নর্থ জুট মিল। মিলের বি ওয়ান ও বেল গোডাউন বিভাগে সোমবার রাত এগারোটা নাগাদ আগুন লাগে। দমকলের ৬টি ইঞ্জিনের দশ ঘণ্টার লাগাতার চেষ্টার পরেও আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমপক্ষে ৪০ কোটি বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জুট মিল সূত্রের খবর, সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ বি ওয়ান বিভাগে আগুন দেখতে পান মিলের রক্ষীরা। অগ্নি নির্বাপন যন্ত্রের সাহায্যে প্রথমে তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।‌ তাতেও কোনও লাভ হয়নি। ধীরে ধীরে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে বেল গোডাউনে। ভিতরে পাট মজুত থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে একে একে দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন আসে। সকাল গড়িয়ে গেলেও তখনও আগুন সম্পূর্ণ নেভেনি আগুন। 

Advertisement

মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত রামচন্দ্রপুর এলাকায় একটি কালি তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই কারখানায় কাজ চলছিল, আচমকাই আগুনের শিখা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা।
​কারখানাটিতে প্রতিমা তৈরির প্রয়োজনীয় রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। সেই কারণেই আগুন খুব দ্রুত ভয়াবহ আকার নেয়। ​খবর পাওয়া মাত্রই দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কারখানায় প্রচুর রাসায়নিক থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
​প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট বা অসতর্কতাবশত কোনও আগুনের উৎস থেকে এই বিপত্তি ঘটতে পারে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন