সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে একটি বহুজাতিক সংস্থার সবজি গুদামে বিধ্বংসী আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে এলাকা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জেরে সন্তাষপুর-নীলগঞ্জ রোডে বন্ধ যান চলাচল। আতঙ্কে স্থানীয়রা।
[আরও পড়ুন: ‘আমি তৃণমূলের সৈনিকমাত্র,দিদির উপর আস্থা রাখুন’, প্রচারে বার্তা মিমির]
স্থানীয় সূ্ত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের সন্তোষপুর এলাকায় একটি বহুজাতিক সংস্থার ওই সবজি গুদাম থেকে বিস্ফোরণের শব্দ পান স্থানীয়রা। মুহূর্তে চোখের সামনে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে গোডাউন। কালো ধোঁয়া ঢেকে যায় এলাকা। তড়িঘড়ি দমকলে খবর দেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে আগুন নেভানোর কাজে নেমে কার্যত হিমশিম খেতে হয় দমকলের আধিকারিকদের। সূত্রের খবর, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে দমকলের আরও কয়েকটি ইঞ্জিন নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দত্তপুকুরে। পাশপাশি, একটি জেসিবিও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জেসিবি দিয়ে গুদামের শাটার ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার জেরে এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সন্তোষপুর-নীলগঞ্জ রোডের যান চলাচল। আগুনের তীব্রতায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
[আরও পড়ুন: তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, কাঠগড়ায় বিজেপি]
জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ১১ টা ২০ নাগাদ সন্তোষপুরের ওই গুদামের জেনারেটর রুমে বিস্ফোরণ ঘটে। অনুমান, সেই বিস্ফোরণের জেরেই আগুন লেগে যায়। সেখানে প্রচুর পরিমানে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে আগুন। তবে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগে অগ্নিকাণ্ডের পর্যাপ্ত কারণ জানা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন দমকলের আধিকারিকেরা। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনও দাউদাউ করে জ্বলছে গুদাম। প্রশ্ন উঠছে, আদৌ ওই গুদামে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কিনা।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!