Mathurapur

কেবল বর্ষা নয়, সারা বছরই জমে জল, রাস্তা পেরিয়ে স্কুলে পৌঁছতে পড়ুয়াদের ভেলাই ভরসা!

স্কুলের সামনেই হাঁটুসমান জল। মাঠ নয়, বৃষ্টির জমা জলে এ যেন এক পুকুর। আজ নয়, এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্কুলে ঢুকতে খুদে একমাত্র ভরসা ভেলা।

সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১১:৫৬

options
link
কেবল বর্ষা নয়, সারা বছরই জমে জল, রাস্তা পেরিয়ে স্কুলে পৌঁছতে পড়ুয়াদের ভেলাই ভরসা!
এভাবেই স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। নিজস্ব চিত্র

স্কুলের সামনেই হাঁটুসমান জল। মাঠ নয়, বৃষ্টির জমা জলে এ যেন এক পুকুর। আজ নয়, এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্কুলে ঢুকতে খুদে একমাত্র ভরসা ভেলা। এমনই ছবি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরের তেঁতুলবেড়িয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। একটু বৃষ্টিতেই স্কুলে ঢোকার মুখে জলমগ্ন হয়ে পড়ে গোটা মাঠ।

Advertisement

যথাযথ নিকাশি ব্যবস্থার অভাবে সেই জমা জল সরতে সরতেই লেগে যায় দিনের পর দিন। সেই জল ডিঙিয়ে স্কুলে ঢুকতে রীতিমতো প্রাণান্তকর অবস্থা পড়ুয়াদের। গত ৮ বছর ধরে এমনই এক কঠিন পরিস্থিতির শিকার শুধু খুদে পড়ুয়ারাই নয়, স্কুলশিক্ষক, অভিভাবক সকলেই। কখনও অভিভাবকদের কোলে উঠে কখনও বা ভেলায় চড়ে হাঁটুজল পেরিয়ে স্কুলে পৌঁছয় খুদের দল। বহু জায়গায় বহু আবেদন-নিবেদন করেও সুরাহা হয়নি। অবস্থা যে তিমিরে ছিল, যত দিন যাচ্ছে কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে সেই পরিস্থিতি। জমা জল পেরিয়ে স্কুলে ঢুকতে মাঝেমধ্যেই নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে কচিকাঁচার দল। কাকভিজে হয়ে ক্লাসে না ঢুকে বাধ্য হয়েই ফের তাদের হতে হচ্ছে ঘরমুখো। অবশ্য কিছুদিন হল অদ্ভুত এক বিকল্প ব্যবস্থা হয়েছে। রাখা রয়েছে ভেলা। সেই ভেলায় চড়েই পড়ুয়ারা স্কুলে ঢুকছে।

Advertisement

কিন্তু এই বিকল্প ব্যবস্থাই কি একমাত্র স্থায়ী সমাধান, প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবক সকলেই। স্কুলশিক্ষিকা পাপিয়া মিত্র ও রিনাক্ষী মণ্ডলরা জানান, “এভাবে কি দীর্ঘদিন চলতে পারে? পড়ুয়াদেরও যেমন সমস্যা হচ্ছে হাঁটুজল পেরিয়ে স্কুলে আসতে, আমাদেরও সমস্যা হচ্ছে মারাত্মক। অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের ছাড়িয়ে নিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করাচ্ছেন। প্রশাসন অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.