সুমন করাতি, হুগলি: রেল বনাম তৃণমূল বিধায়কের লড়াই। রেল কোয়ার্টার খালি করতে এসে হুগলির চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারের তাড়া খেলেন উচ্ছেদকারীরা। বিধায়কের ‘দাবাং’ রূপ দেখে এলাকা ছাড়লেন রেলকর্মীরা। পুনর্বাসনের বন্দোবস্ত ছাড়া উচ্ছেদ নয় বলেই দাবি রেলের জমিতে বসবাসকারীদের।
রবিবার সকালে বিধায়ক অসিত মজুমদার খবর পান রেল কোয়ার্টার ভাঙা শুরু হয়ে গিয়েছে। সেটি ভাঙার বরাত পেয়েছেন এলাকার তৃণমূল নেতা। খবর পাওয়ামাত্রই রেল কোয়ার্টারের কাছে পৌঁছন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। রীতিমতো ভাঙতে আসা শ্রমিকদের তাড়া করেন বিধায়ক। সেখানে কাজ করতে থাকা বেশ কয়েকজন শ্রমিক বিধায়ককে দেখে দৌড়তে শুরু করেন। রেল কোয়ার্টারে বসবাসকারীদের পাশে দাঁড়ান ‘দাবাং’ বিধায়ক। তাঁর হুঙ্কার, “আবার ভাঙতে আসলে ধরে মারুন। তৃণমূলের কেউ যুক্ত থাকলে, তাকে দল করতে দেব না।”
রেল সূত্রে খবর, চুঁচুড়ার ওই রেল কোয়ার্টারে গত প্রায় ৫০ বছর ধরে বেশ কয়েকজন অবৈধ বসবাসকারী রয়েছেন। তাঁদের রেল কোয়ার্টার খালি করে দেওয়ার কথা জানানো হয়। রেলের তরফে কোয়ার্টার খালি করার জন্য নোটিসও দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও লাভ হয়নি কিছুই। পুনর্বাসন না পাওয়া পর্যন্ত বসবাস করবেন বলেই জানান বসবাসকারী। রেলের যুক্তি, যাঁরা রয়েছেন তাঁরা নিয়মবিরুদ্ধভাবে বাস করছেন। তাই পুনর্বাসন দেওয়ার দায়িত্ব রেলের নয়। তাই নোটিস দেওয়ার পর নির্ধারিত সময়সীমা কেটে যাওয়ায় রবিবার সকাল থেকে কোয়ার্টার ভাঙার কাজ শুরু করে রেল। পুনর্বাসনের বন্দোবস্ত না হলে ওই রেল কোয়ার্টার ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়েছেন বসবাসকারীরা।
সর্বশেষ খবর
-
আগুনের গ্রাসে শিশুপ্রাণ! মহারাষ্ট্রে সরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৩ সদ্যোজাত
-
‘মস্তানি’ দেখিয়ে ডুরান্ড জয়, তারপরই সৌরভের ফোন দেবব্রতকে, হাবাসকে আনার নেপথ্যে কি ‘দাদা’র বুদ্ধি?
-
১০ দিন পরেও বাদল অধিবেশনের সমাপ্তি হয়নি, আসন পুনর্বিন্যাস বিলে মোদি সরকারের নয়া কৌশল?
-
উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখার নেশা, বাংলায় সুযোগের অপেক্ষায় সৃজিত-কৌশিক ভক্ত অমৃতা
-
ভোররাতে ফের জতুগৃহ কলকাতা! যশোর রোডে কারখানায় পুড়ে ছাই ২২ গাড়ি