জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, বনগাঁ: নিজের হাতে মণ্ডপ তৈরি শেষ করেছেন সবে৷ রবিবার সকালে পুজোর জোগাড়ের চূড়ান্ত ব্যস্ততা এক মুসলিম যুবকের৷ তিনি মহিবুল সিদ্দিকি। পেশায় বনগাঁ আদালতের ল-ক্লার্ক।
ঠাকুর মশাই আসবেন একটু বাদে পুজো করতে। চূড়ান্ত ব্যস্ত তিনি। রবিবার সকালে চূড়ান্ত ব্যস্ততার ফাঁকে মহিবুল বাবু জানান, “তিনি বিশ্বাস করেন সবার আগে মানুষ সত্য। তাই নিজের ধর্মের পাশাপাশি অন্যের ধর্মকে শ্রদ্ধা ও ভক্তি করেন তিনি৷” সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক ধরে বনগাঁ মহকুমা আদালতের লইয়ার্স ক্লাকর্স ফোরামের সরস্বতী পুজোর দায়িত্ব তিনিই সামলে আসছেন। তার সহযোগী অন্য হিন্দু ভাইয়েরা। প্রতি বছরের মতো দিন সাতেক আগে থেকে চাঁদা তুলে নিজের হাতে মণ্ডপ তৈরি, সাজানোর কাজ করেছেন এই যুবক৷ শুক্রবার থেকে থার্মোকল কেটে তাতে রং করে এবার তিনি বিশাল আকারের রাজহাঁস আকৃতির মণ্ডপ নির্মাণ করেছেন দর্শনার্থীদের জন্য। মহিবুল সিদ্দিকি আদালতের কাজের ফাঁকে একটু একটু করে কাজ করেছেন বলে জানান অন্য এক ল’ক্লার্ক স্বপন কুণ্ডু। ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে সংহতির কাজ করছে মহিবুল, তাই তাঁকে সহযোগিতা করছেন তারা বলে জানান স্বপনবাবু।
[পুরোহিতের আসনে ছাত্রী, প্রথাভাঙা বাণীবন্দনা শিলিগুড়ির স্কুলে]
মহিবুল আরও বলেন, “ধর্মের নামে বিভাজন, রাজনীতি, বন্ধ হোক৷ বনগাঁ লইয়ার্স ক্লাকর্স ফোরামের সম্পাদক গণেশ বিশ্বাস বলেন, ভিনধর্মের হয়েও মহিবুলের অন্য ধর্মের প্রতি এই শ্রদ্ধা ব্যতিক্রমী ঘটনা। মুসলিম যুবকের কর্মকাণ্ডে খুশি বনগাঁ মহকুমা আদালত চত্বরে পুজো দেখতে আসা সাধারণ মানুষও।
[শৈশবেই বিকশিত প্রতিভা, স্কুলের পুজোয় সরস্বতীর প্রতিমা গড়ে নজির খুদে পড়ুয়ার]
সর্বশেষ খবর
-
কমিশনে প্রশ্নের মুখে জ্ঞানেশের সিদ্ধান্ত! মামলা গ্রহণ শীর্ষ আদালতের, আগামী সপ্তাহেই শুনানি
-
পুজোয় এবার নাট্যোৎসব, নেই নট-নটী! কলকাতার এই মণ্ডপে কুশীলব দর্শনার্থীরাই
-
সুইডেনের বুকে এক টুকরো কলকাতা! শিকড়ের খোঁজে দুর্গা আরাধনার আয়োজন লান্ডে
-
সন্তানের জন্য এক মায়ের একাকী লড়াই, কতটা জমল পরিণীতির ‘শ্যক : ট্রাস্ট নো ওয়ান’?
-
প্রশ্ন করবে জেন জি, উত্তর দেবেন মুখ্যমন্ত্রী! এবার নতুন প্রজন্মের সঙ্গে চা চক্রে বসবেন শুভেন্দু