মনোমালিন্য হওয়ায় বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ছাত্রী। যা মানতে রাজি হননি প্রেমিক। অভিযোগ, এরপরই ঘনিষ্ঠ ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিতে শুরু করেন যুবক। যার পরিণতি হল ভয়ংকর। সোমবার সকালে নদিয়ার শান্তিপুর থানার হরিপুরে ঘর থেকে উদ্ধার হল ছাত্রীর দেহ। প্রাথমিকভাবে অনুমান, আতঙ্কেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, মৃতার নাম সন্ধিয়া দেবনাথ। বয়স ১৮ বছর। নদিয়ার একটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন তিনি। তাঁর বাবা বাসুদেব দেবনাথ পেশায় টোটোচালক। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে কাজে বেরিয়ে যান বাসুদেববাবু। সাতটা নাগাদ বাড়ি থেকে ফোন পেয়ে দ্রুত ফিরে আসেন। দেখেন, গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে মেয়ের দেহ। পরিবারের দাবি, দেহের কাছেই ছিল মৃতার মোবাইল। তা খুলতেই দেখা যায় একাধিক হুমকি মেসেজ। পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পাশের এলাকার এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে সন্ধিয়াকে চাপ দিচ্ছিলেন। সম্পর্ক বজায় না রাখলে ঘনিষ্ঠ ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
মৃতার বাবা বাসুদেব দেবনাথ বলেন, “মেয়ের সঙ্গে কারও কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, জানি না। এখনই সবটা জানলাম। ক্রমাগত মানসিক চাপ ও ব্ল্যাকমেলের কারণেই মেয়ে আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।” জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার বাবা। দোষীর কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গম্ভীরদের নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট! তারপরই টিম ইন্ডিয়ায় ডাক পাওয়ার দৌড়ে ‘ব্রাত্য’ সরফরাজ
-
আইএসএল চালিয়ে লাভ হচ্ছে? জনমত জানতে সমীক্ষা শুরু কর্তৃপক্ষের, রইল ফর্ম ফিলাপের লিঙ্ক
-
স্বপ্নে বারবার পুলিশ দেখে ঘুম ভাঙছে? শুভ না অশুভ সংকেত, কী বলছে স্বপ্নশাস্ত্র
-
বছর শুরুতে মৃত্যু হয়েছিল অজিত পওয়ারের, সেই বারামতিতে ফের বিমান দুর্ঘটনা
-
গাল টেপার ছলে যৌন হেনস্তা! বাধা দিলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্রকে ‘মারধর’, কাঠগড়ায় পুলকার চালক