দোলের দিনে রং মেখে মদের আসরে নন্দীগ্রামের বিজেপির এক পঞ্চায়েত প্রধান। সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের আমদাবাদ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান পূর্ণচন্দ্র মণ্ডল। ইতিমধ্যেই একটি ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
আরও পড়ুন:
ছবিতে দেখা যায়, দোলের দিন গেরুয়া আবির মাখা অবস্থায় কয়েকজনের সঙ্গে বসে রয়েছেন বিজেপি নেতা। আর সামনে একটি থালায় কিছু ফল রয়েছে। সামনে একটি প্লাস্টিক গ্লাসও রয়েছে। সেইসঙ্গে পাশে একটি মদের বোতল রয়েছে। যা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে দোলের রং মাখার পরে সহযোগীদের নিয়ে মদের আসরে বসেছেন প্রধান। প্রধানের এই ছবি ভাইরাল হতেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাঁদের ক্ষোভ, দোল উৎসবে হিন্দুত্বের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। যাঁরা হিন্দু সনাতনী বলে নিজেদের দাবি করেন, তাঁরা দোলের দিনে মদের আসরে বসেছেন।
আরও পড়ুন:
অথচ, তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গের নেতৃত্বে দোলের দিনে এলাকার সনাতনী মানুষদের দিঘার জগন্নাথ মন্দির দর্শনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেই স্পষ্ট ভেকধারী হিন্দু হল বিজেপি। তবে আমদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূর্ণচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “দোলের দিন আমি বেরিয়েছিলাম। কর্মীরা আমাকে আবির মাখিয়ে একটি ঘরে বসতে দেয়। ওরা দোলের দিন আনন্দ করছিল। আমি লুঙ্গি পরা অবস্থায় সেখানেই বসেছিলাম। সেই ছবি কেউ তুলেছিল। আর যাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, সেই তৃণমূল ভোটের আগে প্রধানের গায়ে কালিমালিপ্ত করতে সেই ছবি ভাইরাল করেছে। ব্যক্তি আক্রমণ করে কোনও লাভ হবে না তৃণমূলের।”
যদিও পাল্টা নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, “যাঁরা নিজেদের সনাতনী বলে দাবি করেন, তাঁরা দোলের দিনে মদের আসরে বসেছেন, এটা লজ্জার। আর তৃণমূল ওই দিন সনাতনীদের জগন্নাথদেবের দর্শনে দিঘা নিয়ে গিয়েছে। এটাই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে পার্থক্য।”
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের