জামিন পেলেন না নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে হলদিয়া আদালত। আগামী ৬ তারিখ ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন (Nandigram By Election)। তাহলে কি গারদের ওপারে বসেই প্রচারে থাকতে হবে কংগ্রেস প্রার্থীকে? জেলে থেকেই কি ভোটের লড়াই? সেই চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী সোমবার মিলনকে আরও একটি মামলায় তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে খবর। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছিল তাঁর। নন্দীগ্রাম ও খেজুরিতে খুন ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে মিলনের নামে। প্রায় দু’দশকের পুরনো ওইসব মামলায় গতকাল, শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০০৭ সালের মামলা হলেও এতদিন কেন পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি? সেই প্রশ্ন উঠেছিল। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত ১৯ বছর ধরে মিলন ফেরার ছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলেও আইনি প্রক্রিয়া থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন মিলন। গতকাল, শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর এলাকায় ছিলেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী। সেখানকার একটি হোটেল থেকে তাঁকে পুলিশ গতকালই গ্রেপ্তার করে। আজ, শনিবার ধৃতকে হলদিয়া আদালতে তোলা হয়।
প্রার্থী জেলে থাকলে কীভাবে নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচার হবে? দলের নেতা-কর্মীরা তাঁকে ছাড়াই প্রচার করবে? জানা গিয়েছে, এই মামলায় ফের ৩ অক্টোবর আদালতে তোলা হবে মিলনকে। সেদিনও যদি জামিন না পেয়ে হেফাজতের মেয়াদ বাড়ে? তাহলে কী হবে?
এদিন আদালতে জামিনের আবেদন করেন মিলন প্রধানের আইনজীবী। তবে সরকারি আইনজীবীর তরফে জামিনের বিরোধিতাও করা হয়। এদিন দুপুরে বিচারক মিলনকে ১৪ দিন অর্থাৎ ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রার্থী জেলে থাকলে কীভাবে নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচার হবে? দলের নেতা-কর্মীরা তাঁকে ছাড়াই প্রচার করবে? জানা গিয়েছে, এই মামলায় ফের ৩ অক্টোবর আদালতে তোলা হবে মিলনকে। সেদিনও যদি জামিন না পেয়ে হেফাজতের মেয়াদ বাড়ে? তাহলে কী হবে? ৬ তারিখ ভোট। তাহলে কি ভোটের লড়াই জেলে থেকেই হবে? সেই চর্চা শুরু হয়েছে।
কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেপ্তারির ঘটনার প্রতিবাদে এদিন পথে নেমেছেন দলীয় নেতৃত্ব। আদালত চত্বরেও এদিন সকাল থেকে কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা ভিড় করেছিলেন। পুলিশ ও বিজেপির প্রতি সরব হন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেছেন, “আমরা নির্বাচন থেকে সরছি না। আদালত কী রায় দেয় তার উপর নির্ভর করছে সব। প্রার্থীর জেল হলে সেখান থেকেই প্রচার হবে। লিফলেট বানিয়ে এলাকায় কর্মীরা প্রচার করবেন। মানুষ তারপর যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে।”
গতকাল, শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন নন্দীগ্রাম আসনে তাঁদের তরফে কোনও প্রার্থী লড়বে না। ওই আসনে কংগ্রেস প্রার্থীকেই সমর্থন করবে কালীঘাট তৃণমূল। মমতার সেই বার্তার কিছু সময় পরেই নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেপ্তার হয়ে যান।
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা