NCPI

কাকলিদের ‘ভরসা’র এনসিপিআই প্রধান কুণ্ডু দম্পতি, জানেন দলের কত সম্পত্তি?

ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লবকুমার দেবের 'মাস্টারস্ট্রোকে' একসঙ্গে ২০ জন সাংসদের সমর্থন পেতে চলেছে এনসিপিআই। এবার দেখার আগামিদিনে কোন পথে এগোয় 'অস্তিত্বহীন' দলটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৪:৪৮

options
link
কাকলিদের ‘ভরসা’র এনসিপিআই প্রধান কুণ্ডু দম্পতি, জানেন দলের কত সম্পত্তি?
বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের 'ভরসা'র এনসিপিআই প্রধান কুণ্ডু দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত

মাটির পথ ধরে কিছুটা এগোলে সবুজ রঙের দোতলা একটি বাড়ি। পাঁচিলঘেরা বাড়ির গায়ে লেখা ‘জাগো বিশ্ব’। বড় লোহার দরজার দু’পাশে লেখা দু’জনের নাম। দরজার একদিকে উত্তীয় কুণ্ডু আর একদিকে শিউলি কুণ্ডু। উত্তীয় কুণ্ডু একটি স্থানীয় সংবাদপত্রের প্রকাশক। শিউলি কুণ্ডু পেশায় কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী।

Advertisement
Shewli
উত্তীয় কুণ্ডু ও শিউলি কুণ্ডু। ছবি: সংগৃহীত

হাওড়ার সাঁকরাইলের হাটগাছার বাণীপুরের এই বাড়িটিতেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। কারণ, এই বাড়িটি কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের ভরসার এনসিপিআইয়ের সদর দপ্তর।

Advertisement

ncpi-2

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, বহু বছর আগে দোতলা এই বাড়িটিতে চলত শিশুদের হোম। দুঃস্থ শিশুরা থাকত এখানে। বিদেশ থেকে নাকি অনুদান আসত। তাতেই চলত ভরণপোষণ। তবে বছর ৭-৮ আগে বন্ধ হয়ে যায় হোমটি। তারপর এই বাড়িটিতে এনসিপিআই-এর পথচলা শুরু। সদর দরজা পেরিয়ে বাগানঘেরা পথ ধরে কিছুটা হেঁটে যাওয়ার পর বাড়িতেই চলে কর্মযজ্ঞ। সেখানে বর্তমানে বেশ কয়েকজন মহিলার বাস। যাঁরা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সাহায্যে নানারকমের কাজ করেন এবং সেখানেই থাকেন। এছাড়া তেমন কোনও রাজনৈতিক কাজকর্মের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এনসিপিআইয়ের।

ncpi-3

এই দলটিরই সভানেত্রী ছিলেন শিউলি কুণ্ডু। যদিও বর্তমানে তিনি আর এই দলের কোনও পদে নেই। কোষাধ্যক্ষ তাঁর স্বামী উত্তীয় কুণ্ডু। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, এই দলটি নাকি ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছিল। গত ২০২৩ সালে হাওড়ার সাঁকরাইলের হাটগাছা পঞ্চায়েত থেকে ভোটে লড়েন এক আবাসিক। যদিও তিনি তেমন কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ত্রিপুরাতেও একবার ভোটে লড়ে এনসিপিআই। সেখানেও দাঁত ফোটাতে পারেননি প্রার্থী।

ncpi

এনসিপিআই সভাপতি শান্তনু দে। পার্টির প্রতীক কলমের নিব তাঁরই বানানো। বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে থাকেন। একসময় ত্রিপুরায় থাকতেন শান্তনু দে। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইও করেছিলেন কয়েকটি আসনে। যদিও জয়ের মুখ দেখেনি কেউই। এনসিপিআই সভাপতি শান্তনু দে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালে বলেন, “আমি একজন বিজেপি সমর্থক। তাই দেশের স্বার্থে যা করার তাই করব।” সোমবার সকালে ফোনে জানান, “যোগদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তবে আমি একজন বিজেপি সমর্থক। দেশের স্বার্থে সবকিছুই করতে প্রস্তুত দল। অন্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এনসিপিআইয়ের একাধিক নেতা ত্রিপুরাতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে অনুতম জহিরুল ইসলাম। ত্রিপুরার কৈলাশহরে থাকেন। তিনি তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। মূলত ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লবকুমার দেবের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ একসঙ্গে ২০ জন সাংসদের সমর্থন পেতে চলেছে এনসিপিআই। এবার দেখার আগামিদিনে কোন পথে এগোয় ‘অস্তিত্বহীন’ দলটি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.