Nipah Virus

বাংলার বাদুড়ের শরীরে নেই নিপা! স্বস্তির খবরেও সতর্কতায় ঢিলেমি নয় স্বাস্থ্যদপ্তরের

নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের শরীরে কীভাবে সংক্রমণ? উৎস জানা নেই এখনও। এখন কেমন আছেন তাঁরা?

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১২:৪৮

options
link
বাংলার বাদুড়ের শরীরে নেই নিপা! স্বস্তির খবরেও সতর্কতায় ঢিলেমি নয় স্বাস্থ্যদপ্তরের
ফাইল ছবি

বাংলার বাদুড়ের শরীরে নিপা ভাইরাল অমিল! ন’টি বাদুড় ধরে আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছিল। সব রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ কোনওটারই শরীরে ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। শুধু একটি বাদুড়ের রক্তে অ্যান্টিবডির অস্তিত্ব মিলেছে। অর্থাৎ ওই বাদুড়টি কোনও একটা সময় নিপার বাহক ছিল। এখন আর নেই। নিপা (Nipah Virus) সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কের আবহে এই রিপোর্ট অনেকটা স্বস্তির খবর।

Advertisement

বঙ্গে আক্রান্ত দুই নার্সের শরীরে সংক্রমণের উৎস এখনও জানা নেই। আর তাই তা খুঁজতে বাদুড় ধরে সমীক্ষা শুরু হল বাংলায়। জানা গিয়েছে, পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির প্রতিনিধি দল-সহ বন মন্ত্রকের সদস্যরা একযোগে বাদুড়ের সমীক্ষা শুরু করেন। সূত্রের খবর, মধ্যমগ্রামের কলকাতা-বসিরহাট রোড সংলগ্ন কুবেরপুর থেকে মোট ন’টি বাদুড় ধরা হয়। প্রতিটি বাদুড়ের শরীর থেকে তিন রকম সোয়াব নিয়ে আরটিপিসিআর পরীক্ষা হয়। প্রতিটি রিপোর্টই নেগেটিভএসেছে। শুধু একটি বাদুড়ের অ্যান্টিবডি পজিটিভ এসেছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ওই বাদুড়দের কারও শরীরেই এখন আর নিপা ভাইরাসের (Nipah Virus) অস্তিত্ব নেই। তবে বাদুড়ের সমীক্ষা এখনও চলবে বলেই জানা গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, মধ্যমগ্রামের কলকাতা-বসিরহাট রোড সংলগ্ন কুবেরপুর থেকে মোট ন’টি বাদুড় ধরা হয়। প্রতিটি বাদুড়ের শরীর থেকে তিন রকম সোয়াব নিয়ে আরটিপিসিআর পরীক্ষা হয়। প্রতিটি রিপোর্টই নেগেটিভএসেছে। শুধু একটি বাদুড়ের অ্যান্টিবডি পজিটিভ এসেছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ওই বাদুড়দের কারও শরীরেই এখন আর নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব নেই।

এদিকে, বারাসতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণ নার্সের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে। আরও একবার আরটিপিসিআর টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ এলেই তাঁকে ছুটি দেওয়া হতে পারে। তবে, তরুণী নার্সের শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটজনক। তাঁর এখনও ভেন্টিলেশন সাপোর্ট লাগছে। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, ওই দুই নার্সের সংস্পর্শে আসা লোকজনের যত নমুনা কল্যাণী এইমস এবং বেলেঘাটার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে পাঠানো হয়েছিল, সবগুলিরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

Advertisement

বঙ্গে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেও ঢিলেমি দিতে রাজি নয় রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। নিপা অতিমারী রুখতে আগাম প্রস্তুতি হিসাবে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে সোমবার সেমিনারের আয়োজন করে ‘ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার’। সেখানে রাজ্য প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিস্ট এবং ভাইরাস বিষয়ক গবেষক সিদ্ধার্থ জোয়ারদার জানান, দু’জন নার্সের নিপা ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা আদতে অতিমারী প্রতিরোধের আগাম প্রস্তুতির অ্যাসিড টেস্ট। তিনি আরও জানান, কোভিড পরবর্তী সময়ে গোটা বিশ্বে অতিমারী প্রতিরোধের আগাম প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে। জাতীয় স্তরে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরি হয়েছে, নাগপুরে গড়ে উঠেছে ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওয়ান হেলথ’।

রাজ্য প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিস্ট এবং ভাইরাস বিষয়ক গবেষক সিদ্ধার্থ জোয়ারদার জানান, দু’জন নার্সের নিপা ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা আদতে অতিমারী প্রতিরোধের আগাম প্রস্তুতির অ্যাসিড টেস্ট।

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরও ওয়ান হেলথ কমিটি গঠন করছে। নির্দেশিকা মেনে নিপা আক্রান্ত ব্যক্তির কীভাবে চিকিৎসা হবে, তার বিস্তারিত আলোচনা করেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. অনিতা নন্দী। আক্রান্তদের চিকিৎসায় যে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহারের কথা নির্দেশিকাতে জানানো হয়েছে সেগুলি প্রয়োগের সঠিক মাত্রা নিয়ে আলোচনা করেন স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনের শিক্ষক চিকিৎসক সমরেন্দ্রনাথ হালদার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.