Doctors

কোভিড হাসপাতালের ডাক্তার, নার্সদের জন্য বোর্ডিং-হোটেল খরচ আর নয়, জানাল রাজ্য

বিপুল আর্থিক খরচ সামাল দিতেই এই সিদ্ধান্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২০, ১৫:৪৬

options
link
কোভিড হাসপাতালের ডাক্তার, নার্সদের জন্য বোর্ডিং-হোটেল খরচ আর নয়, জানাল রাজ্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিড (COVID-19) ও লকডাউন আবহে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক (Doctors) ও নার্সরা (Nurses) বেশকিছু অতিরিক্ত সুবিধা পেতেন। এবার সেগুলি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। মূলত বিপুল আর্থিক খরচ সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ করা হল বলে খবর।

Advertisement

সব সরকারি কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসক এবং নার্সদের হাসপাতালের নিকটবর্তী হোটেলে থাকার সুবিধা দেওয়া হত। কারণ যানবাহনের সমস্যা ছিল। শনিবার স্বাস্থ্য ভবন থেকে বিশেষ নির্দেশে সেই ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রীকে অশালীন গালিগালাজ, দিলীপ ঘোষকে তোপ মিমির]

 

আগামী সপ্তাহ থেকে এই সুবিধা পাবেন না সরকারি কোভিড হাসপাতালের (COVID-19 Hospitals) চিকিৎসক ও নার্সিং পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। বস্তুত, মোটা অঙ্কের খরচ সামাল দিতেই এমন ব্যবস্থা। তবে রাজ্যের মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. অজয় চক্রবর্তী বলেছেন, “লকডাউন উঠে গিয়েছে। যানবাহন স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। এমনকী, ট্রেনও চালু হয়েছে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই এই ব্যবস্থা সরকার প্রত্যাহার করে নিল। এখন থেকে এই ব্যবস্থা চালু থাকবে না।”

Advertisement

আগামী সপ্তাহ থেকে সরকারি কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়ি থেকেই হাসপাতালে আসতে হবে। জেলার সরকারি কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়ি থেকে আনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। তাই আলাদা করে হোটেল বা বোর্ডিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয়তা কমেছে। বস্তুত, টানা পাঁচমাস এই ব্যবস্থা চালু ছিল।

[আরও পড়ুন : এলাকায় ফিরছেন সুশান্ত ঘোষ, পার্টি আড়াআড়ি ভাগ হওয়ার আশঙ্কা]

গত পাঁচমাস একটানা হাসপাতালে ডিউটি করেছেন চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীরা। বাড়ির পরিজন ও জরুরি পরিষেবার কথা মাথায় রেখে তাঁরা বাড়ি ফেরেননি। কখনও যা-ও বা ফিরেছেন কোথাও কোথাও পাড়ার বাসিন্দারা তাঁদের বাড়ি ঢুকতে দিতে চাননি। যদি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। আবার কোথাও উলটো চিত্রও দেখা গিয়েছে। সাদর অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে কোভিড যোদ্ধাদের। কঠিন পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হয়েছে। সংক্রমণ বাড়লেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সুস্থতার হার। তাই এবার কোভিড যোদ্ধাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পালা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন