Nandigram

নন্দীগ্রামে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে তৃণমূল! হাতছাড়া আরও এক পঞ্চায়েত, উচ্ছ্বাসে মাতল গেরুয়া শিবির

নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের হাতছাড়া হতেই উচ্ছ্বাস দেখা যায় বিজেপি নেতা কর্মীদের মধ্যে।

রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১৭:৩৬

options
link
নন্দীগ্রামে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে তৃণমূল! হাতছাড়া আরও এক পঞ্চায়েত, উচ্ছ্বাসে মাতল গেরুয়া শিবির
নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হাতছাড়া পঞ্চায়েত।

রাজ্যে পালাবদলের পরই তৃণমূল ভেঙে খান-খান। রাজ্যে একের পর এক পুরসভা, পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ হাত ছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) খাসতালুক নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হাতছাড়া হল গ্রাম পঞ্চায়েত। সোমবারই পটাশপুর-১ ব্লকের অমর্ষি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে নতুন বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। এমনকী কোলাঘাটের সিদ্ধা -১ গ্রাম পঞ্চায়েতও হাত ছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতও। নির্দলের দখলে গিয়েছে এই পঞ্চায়েত।

Advertisement

ভোটাভুটিতে নব নির্বাচিত প্রধান আভারানী বেরা জানান, ”এলাকার উন্নয়নের জন্য রাজ্যের বর্তমান সরকার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ শুরু করেছি। আগামীদিনে গ্রাম পঞ্চায়েত সকল সদস্যদের নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য।”

গত ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পায় ১৩ টি এবং ৯টি আসন যায় নির্দলের দখলে। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরই রাজ্যের একাধিক পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ-সহ একাধিক পুরসভায় দেখা দেয় অচলাবস্থা। সেই মতো নন্দীগ্রামের (Nandigram) কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েতেও দেখা দেয় জটিলতা। পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান-সহ বেশ কয়েকজন সদস্য একের পর এক ইস্তফা দেন। এহেন পরিস্থিতিতে প্রশ্নের মুখে পড়ে নাগরিক পরিষেবা। এই পরিস্থিতিতে আজ, মঙ্গলবার প্রধান ও উপপ্রধান পদে নির্বাচিত হয়। পঞ্চায়েত নিয়ম মেনেই এই নির্বাচন প্রক্রিয়া হয়। সেখানেই ১৯ জন সদস্যের উপস্থিতিতে প্রধানের দায়িত্ব পান আভারানী বেরা এবং উপপ্রধান খাজেদা বিবি। উন্নয়েনের স্বার্থে গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত সদস্যরা প্রধান এবং উপপ্রধান হিসাবে আভারানী বেরা এবং খাজেদা বিবির নামে শিলমোহর দেন।

Advertisement

Advertisement

ভোটাভুটিতে নব নির্বাচিত প্রধান আভারানী বেরা জানান, ”এলাকার উন্নয়নের জন্য রাজ্যের বর্তমান সরকার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ শুরু করেছি। আগামীদিনে গ্রাম পঞ্চায়েত সকল সদস্যদের নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য”। অন্যদিকে বিজেপির মন্ডল -১ এর সভাপতি ধনঞ্জয় ঘড়া বলেন, ”তৃণমলের প্রধান, উপপ্রধান-সহ সদস্যরা গ্রাম পঞ্চায়েতে না আসায় উন্নয়নের কাজ থমকে গিয়েছিল। পঞ্চায়েত নিয়ম মেনে নতুন প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচন হল। তাঁরা আমাদের সঙ্গে থেকে এলাকার উন্নয়ন করতে চান।” এক্ষেত্রে সবরকমভাবে বিজেপি তাঁদের পাশে আছে বলেও জানিয়েছেন ধনঞ্জয় ঘড়া। তবে নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের হাতছাড়া হতেই উচ্ছ্বাস দেখা যায় বিজেপি নেতা কর্মীদের মধ্যে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.