অর্ণব আইচ: বন্যপ্রাণী পাচারচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। শনিবার ভোরে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ উদ্ধার করে সিআইডি ও বনদপ্তর। ‘সফ্ট শেল ইন্ডিয়ান টার্টল’ নামের ওই কচ্ছপগুলি বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। নির্বিচারে শিকার ও পরিবেশ দূষণের ফলে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এই প্রজাতিটি।
[গাছে ঝুলে অসংখ্য বাদুড়, নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল বীরচন্দ্রপুরে]
পুলিশ সূত্রে খবর, ওড়িশা থেকে একটি ট্রাকে করে রাজ্যে আনা হচ্ছিল কচ্ছপগুলিকে। তবে আগেই গোপন সূত্রে পাচারকারীদের মতলব জানতে পেরে যান গোয়েন্দারা। ফলে এদিন তৈরি ছিলেন তাঁরা। তড়িঘড়ি বিষয়টি বনদপ্তরকে জানানো হয়। তারপরই বিরাটি ও ধুলাগড় এলাকায় অভিযান শুরু করে সিআইডি ও বনবিভাগের যৌথবাহিনী। অবশেষে ধুলাগড়ে ছয় নম্বর জাতীয় সড়কের উপর একটি টুলবুথে আটক করা হয় ট্রাকটিকে। উদ্ধার করা হয় প্রায় তিন হাজার কচ্ছপ। প্রায় নব্বইটি বাক্সে পুরে কচ্ছপগুলিকে আনা হচ্ছিল। এগুলির বাজারমূল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যে ট্রাকের চালক-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা হচ্ছে দেবাশিস দাস (চালক), দীপঙ্কর মণ্ডল (খালাসি), নিতাই দাস ও উত্তম সিং। তাদের আদালতে পেশ করা হবে।
এর আগে এত বেশি সংখ্যক দুর্লভ কচ্ছপ উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া জীবগুলিকে সল্টলেকের একটি ‘টার্টল রিহ্যাবে’ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা করা হবে। অভিযোগ, রাজ্যে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই রমরমিয়ে চলছে নিষিদ্ধ কচ্ছপ বেচা-কেনা। কয়েকদিন আগেই চন্দননগরে ডাউন দুন এক্সপ্রেসে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ৪৬টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ। গ্রেপ্তার করা হয় পাচারকারীকেও। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাচারের জন্য রয়েছে বড়সড় চক্র। দেশজুড়েই তাদের জাল ছড়ানো।
[মৎস্যজীবীদের জালে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ, মন্দারমণিতে হইচই]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন