মারধর

বজ্র আঁটুনিতে উলটপুরাণ, ‘ভিজিটরস কার্ড’ না থাকায় রোগীর আত্মীয়কে মার হাসপাতালে

ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালের ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৯, ১১:৪৯

options
link
বজ্র আঁটুনিতে উলটপুরাণ, ‘ভিজিটরস কার্ড’ না থাকায় রোগীর আত্মীয়কে মার হাসপাতালে

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ডহারবার: এনআরএস কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কড়া নিরাপত্তায় মোড়া হয়েছে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল। আর সেই নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনিতেই এবার উলটপুরাণ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে। রোগীকে দুপুরের খাবার দিতে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মীরা রোগীর এক আত্মীয়কে কোনও ‘ভিজিটরস কার্ড’ ছাড়া ভিতরে যেতে বাধা দেন। আর তাই নিয়েই গন্ডগোলের সূত্রপাত। অভিযোগ, রোগীর ওই আত্মীয়কে প্রচণ্ড মারধর করেন হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা। ঘটনার জেরে গুরুতর আহত হন ওই ব্যক্তি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: আস্ত মানুষ গিলে খাচ্ছে ভূত! অশরীরী আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন মালদহের বাসিন্দারা ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবার জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে ডায়মন্ডহারবার জেলা হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার থানার রামগোবিন্দপুরের বাসিন্দা মোসলেম শাহ। শুক্রবার দুপুরে তাঁর জামাইবাবু আলাউদ্দিন শেখ খাবার নিয়ে হাসপাতালে তাঁকে দিতে যান। হাসপাতালের মেন গেটে ঢোকার সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে আটকে দেন। আলাউদ্দিন রোগীর খাবার নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান৷ তা শুনে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁর কাছে ‘ভিজিটরস কার্ড’ দেখতে চান। কিন্তু তাঁর কাছে ওই কার্ড না থাকায় তিনি দেখাতে পারেননি।কার্ড ছাড়া নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন।

Advertisement

অভিযোগ, কোনও গন্ডগোল ছাড়াই ওই যুবককে নিরাপত্তাকর্মীরা প্রচণ্ড মারধর করে মেন গেট থেকে তাড়িয়ে দেয়। মারধরের ফলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই যুবককে ডায়মন্ডহারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। গুরুতর আহত যুবক আলাউদ্দিনের আত্মীয় আব্বাস শাহ জানান, “ঝামেলা করার মতো ছেলেই নয় আলাউদ্দিন। রোগীর খাবার নিয়ে ঢুকতে যাওয়ার সময়ই নিরাপত্তাকর্মীরা ওকে আটকায় ও মারধর শুরু করে দেয়। নিরাপত্তাকর্মীদের মারে গুরুতর আহত হয়ে আলাউদ্দিন বেশ কয়েকবার বমিও করে ফেলে। তাকে অক্সিজেন দিতে হয়।”

[ আরও পড়ুন: জনসংযোগে নেমে কুলটিতে আমজনতার ধমক খেলেন তৃণমূলের যুব নেতা ]

এই ঘটনায় এদিন হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আলাউদ্দিনের পরিবার পুলিশের কাছে নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে। পুলিশ সন্ধেবেলা হাসপাতালে গিয়ে কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মারধর নয়, নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে ওই যুবকের ধস্তাধস্তি হয়। তাতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন