অর্ণব দাস, বারাকপুর: ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনার ৭২ ঘন্টার মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম রইস আলি এবং অঙ্কিত সিং ওরফে রিঙ্কু। দুজনেই ভাটপাড়ার বাসিন্দা। তারা ভাড়াটে খুনিদের সহযোগিতা করেছিল বলেই জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এবিষয়ে সাংবাদিক সন্মেলন করে বারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া জানান, ধৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে খুনে ঘটনায় যোগসাজশের কথা স্বীকার করেছে। রইস আলি ভাড়াটে খুনিদের পথ চিনিয়ে দিয়েছিল। খুনিদের থাকা-সহ অন্যান্য ব্যবস্থা করে দিয়েছিল রিঙ্কু। এছাড়াও দুজনের অন্য কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে বলেও জানান তিনি। শনিবার ধৃতদের বারাকপুর আদালতে পেশ করে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হবে বলেই খবর।
[আরও পড়ুন: ঘরে স্ত্রী-সন্তান, খুন করতে গোখরো ছেড়ে দরজায় খিল দিলেন ব্যক্তি, তার পর…]
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জগদ্দল থানার ভাটপাড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে পুরানি তালাব সংলগ্ন এলাকায় শুটআউটের ঘটনা ঘটে। নিজের বাড়ির সামনেই ঝাঁজরা হয়ে যান তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব। এই ঘটনার তদন্তে নামে বারাকপুর কমিশনারেটের ডিসি (নর্থ) শ্রীহরি পাণ্ডের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তৈরি করা হয়। একাধিক এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, চারজন ভাড়াটে খুনি এসেছিল। তারা প্রথমে মেঘনা মিল সংলগ্ন একটি ফাঁকা কোয়ার্টারে এসে ওঠে। সেখানে কিছুক্ষণ থাকার পর তাদের মধ্যে তিনজন বাইকে করে ভিকিকে খুন করে। এই খুনের ঘটনায় সেভেন এমএম এবং নাইন এমএম দুই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানতে পারে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ‘ভোটার তালিকায় নাম তুলুন রাজ্যে থাকা বাংলাদেশিরা’, বারাসতের তৃণমূল নেত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন