Murshidabad

নথি ছাড়াই ভাড়া! মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশি ডাকাত গ্রেপ্তারে পুলিশের স্ক্যানারে বাড়ি মালিক

বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৪, ২১:২৭

options
link
নথি ছাড়াই ভাড়া! মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশি ডাকাত গ্রেপ্তারে পুলিশের স্ক্যানারে বাড়ি মালিক

কল্যাণ চন্দ,বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় আরও এক বাংলাদেশী দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল বহরমপুর থানার পুলিশ। আজিজুল শেখ নামে ওই দুষ্কৃতীকে বহরমপুরের গোয়ালজন এলাকার পালপাড়ার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে পুলিশের স্ক্যানারে পালপাড়ার ওই ভাড়া বাড়ির মালিক সুজয় পাল। ছয় বাংলাদেশির কোনও পরিচয়পত্র ছাড়াই তিনি বাড়িভাড়া দিয়েছিলেন বলেই খবর। কীভাবে এই কাজ করলেন সুজয় পাল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

Advertisement

সুজয় পাল বহরমপুর শহরের একটি সার ও বীজ বিক্রির দোকানে কাজ করতেন। তাঁর গোয়ালজনের পালপাড়ায় নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়ির পিছনে আমবাগানে একতলা একটি বাড়ি রয়েছে। যে বাড়িটি সাড়ে ৪ হাজার টাকা ভাড়ার বিনিময়ে ওই ছয় বাংলাদেশীকে থাকতে দিয়েছিলেন সুজয়। অভিযোগ, বহরমপুরের যুবক বলে পরিচয় দিয়ে ওই ৬ বাংলাদেশীকে সুজয়ের বাড়ি ভাড়া নেয়। গত ৩০ মে ওই ৬ বাংলাদেশী নিজেদের ফেরিওয়ালা বলে পরিচয় দিয়ে সুজয় পালের বাড়িতে ওঠেন। ঠিক তার পরের দিনেই রঘুনাথগঞ্জের জরুর গ্রামে ডাকাতি হয়। ধৃত ওই ডাকাতদল গোয়ালজনের বাড়িতেই উঠেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘উত্তরপ্রদেশ ট্রিটমেন্ট হবে, পুরো এনকাউন্টার’, ভোট মিটতেই হুঙ্কার সুকান্তর]

ওই ঘটনায় প্রশ্ন উসকে দিয়েছে গত ২০১৮ সালের মুর্শিদাবাদের নওদার মাদক পাচার চক্রের ঘটনা। নওদার মধুপুরে একটি ছাইয়ের গোডাউনে মাদক পাচারের সক্রিয় ভূমিকায় চিনা নাগরিকদের নাম উঠে আসে। যারা মুর্শিদাবাদে মাদক পাচারের ‘স্লিপার সেল’ তৈরি করে। যে ঘটনায় তদন্ত শুরু করে সিআইডি। গ্রেপ্তারও করা হয় কয়েকজন চিনা নাগরিককে। সেই চিনা নাগরিকরা বহরমপুরের রানিবাগানে যে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন সেই ফ্ল্যাটেও তাদের পরিচয়পত্র ছাড়াই থাকতে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

Advertisement

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার সূর্য প্রতাপ যাদব বলেন, “বেশি ভাড়া দেওয়ার লোভ দেখিয়ে অনেক সময় বিভিন্ন বাড়ি মালিকের বাড়ি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাড়ি মালিকদের উচিত সঠিক পরিচয়পত্র নিয়ে বাড়ি ভাড়া দেওয়া। এবং ওই ভাড়াটিয়াদের পরিচয়পত্র নিয়ে স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা। ওই বিষয় নিয়ে বারবার প্রচার করা সত্ত্বেও বিভিন্ন বাড়ি মালিক নাম পরিচয় না জেনেই বাড়ি ভাড়া দিয়ে দিচ্ছেন। যার ফলেই দুষ্কৃতীরা অনায়াসে নিজেদের লুকিয়ে রাখার জায়গা পেয়ে যাচ্ছে।” বাংলাদেশের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্রের যোগসাজশ রয়েছে বলেও মনে করছেন পুলিশ সুপার।

[আরও পড়ুন: এক্সিট পোলে তৃণমূলের ক্ষরণের ইঙ্গিত! কর্মীদের মনোবল বাড়াতে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক অভিষেকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.