Dakshineswar Power Outage

দক্ষিণেশ্বর মন্দির সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, CESC-র বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ বাসিন্দাদের

টি এন বিশ্বাস রোড, আর এন ট্যাগোর রোড ও টি এন মুখার্জি রোডের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ নেই বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৪, ১৮:৫০

options
link
দক্ষিণেশ্বর মন্দির সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, CESC-র বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ বাসিন্দাদের

অর্ণব দাস, বারাসত: প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল দশা বঙ্গবাসীর। বৃষ্টির দেখা নেই। আট থেকে আশি প্রত্যেকেরই হাঁসফাঁস অবস্থা। এমনতাবস্থায় গত চারদিন ধরে বিদ্যুৎ সমস্যায় জেরবার দক্ষিণেশ্বর মন্দির সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। বার বার বিদ্যুৎ দপ্তরকে অভিযোগ জানানোর পরও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন এলাকাবাসী।

Advertisement

শুক্রবার সকাল থেকে দক্ষিণেশ্বর (Dakhineswar) মন্দিরের একাংশ-সহ টি এন বিশ্বাস রোড, আর এন ট্যাগোর রোড ও টি এন মুখার্জি রোডের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ নেই বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। বিদ্যুৎ সংস্থা সিইএসসির (CESC) কাছে বিষয়টি জানানোর পরও সমস্যার সুরাহা হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৩ মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে রাজ্যের সব জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য, নির্দেশিকা বনদপ্তরের]

স্থানীয় বাসিন্দা রাজু চৌধুরী বলেন, “এই গরমে দুর্বিষহ অবস্থা। আজ সকাল থেকেই বিদ্যুৎ নেই। আমাদের নাজেহাল দশা হয়েছে। বিগত বছরেও এই অবস্থা হয়েছিল। এবার আবার শুরু হয়েছে। এর কোনও সুরাহা পাচ্ছি না। কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। আমরা খুব সমস্যার মধ্যে আছি।” আরেক বাসিন্দা বলেন, “দিনের বেলার ঘরে থাকতে পারছি না। রাতে ঘুমতে পারছি না। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে আমাদের নাজেহাল অবস্থা। মেরেকেটে একঘণ্টা কারেন্ট থাকে, আবার চলে যায়। বিদ্যুৎ সংস্থাকে অনুরোধ করছি যাতে একটা স্থায়ী সমাধান করা যায়।”

Advertisement

কামারহাটি পুরসভার (Kamarhati Municipality) ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিন্দম ভৌমিক বলেন, “টি এন বিশ্বাস রোড, আর এন ট্যাগোর রোড ও টি এন মুখার্জি রোডের বিস্তীর্ণ এলাকায় দিনে অনেকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এই এলাকায় পাম্প হাউসও রয়েছে, ফলে পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। জল সরবরাহ করতে পারছি না। অসহ্য গরম অথচ ঘরে ফ্যান চলছে না। এই চত্বরে বেলুড় মঠ, সারদা মঠ-সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে তা সত্ত্বেও এই অবস্থা। একটা স্থায়ী সমাধান করতে সিইএসসিকে অনুরোধ জানিয়েছি।”

[আরও পড়ুন: মায়ের গয়না ‘লুঠ করে’ নতুন বাইক! বেপরোয়া গতিতে চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু যুবকের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন