ছাগল খেয়ে নেওয়ায় অজগর সাপকে পিটিয়ে মারার চেষ্টা গ্রামবাসীদের

সাপটিকে বনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷   

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৮, ১৯:১৪

options
link
ছাগল খেয়ে নেওয়ায় অজগর সাপকে পিটিয়ে মারার চেষ্টা গ্রামবাসীদের

রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার: তার অপরাধ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সে গ্রামবাসীদের ছাগল খেয়েছিল। আর সেই অপরাধেই একটি ১৫ ফুট লম্বা অজগরকে প্রাণে মারার উপক্রম গ্রামবাসীদের৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য অজগরটিকে মারতে পারেননি কেউই। তার আগেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের নিমাতি রেঞ্জের বনকর্মীরা৷ মুখের কাছে দড়ি বাঁধা অবস্থায় অজগরটিকে উদ্ধার করা হয়৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর সাপটিকে আবারও জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

[কুয়োর মধ্যে উঁকি দিচ্ছে বিষধর গোখরো, ভয়ে কাঁটা গৃহবধূ]

নিমতি দোহমনি এলাকায় বেশ কয়েকদিন ধরেই ছাগল হাপিস হয়ে যাচ্ছিল। এলাকায় ছাগল চোর ঢুকেছে বলে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু শনিবার নিমতি মাঠের কাছে একটি ঝোপ থেকে অজগরকে বেড়িয়ে আসতে দেখেন গ্রামবাসীরা৷ ওই মাঠেই একটি ছাগলও খায় সাপটি৷ অজগরটিকে ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। ততক্ষণে ছাগলটি অবশ্য মারা গিয়েছে। মৃত ছাগলটিকে সাপের মুখ থেকে টেনে বের করা হয়। রীতিমতো সাপটিকে ধরে মাঠের একটি গাছের সঙ্গে প্রায় ১ ঘণ্টা টানা হ্যাঁচড়া চলতে থাকে। এর পর ঠিক হয় অজগরটিকে ঝুলিয়ে মারা হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মৃত্যুর মুখ থেকে বানর শাবককে উদ্ধার করে অরণ্যে ফেরালেন যুবক]

কিন্তু তার আগেই খবর পেয়ে যায় বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের নিমাতি রেঞ্জের বনকর্মীরা৷ বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনকর্মীরা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয় সাপটিকে৷

[পুণ্যলাভের আশায় জ্যান্ত কেউটে সাপের পুজো, উৎসবের আমেজ কাটোয়ায়]

বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী, কোনও পশু, পাখি বা সাপের উপর হামলা চালালে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ৷ কিন্তু ওই ঘটনার পর বেশ কয়েকঘণ্টা কেটে গেলেও গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা এবং উপক্ষেত্র অধিকর্তাকে ফোন করা হলেও, তাদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷ ওই ছাগলটির মালিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন বনদপ্তরের আধিকারিকরা৷ চাপে পড়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের নিমতি রেঞ্জের অফিসার ভবেন ঋষি বলেন,“সাপটিকে দড়ি দিয়ে বাঁধা ঠিক হয়নি। এর আগেও গ্রামবাসীদের সতর্ক করা হয়েছিল। অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ছাগলের মালিককেও আর্থিক সাহায্য করা হবে বলেই জানিয়েছেন বনকর্মীরা৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন