Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Ebola in Congo

শুধু কঙ্গোয় ২০০০ জনের মৃত্যু! রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে মারণ ইবোলা, সতর্ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

গত মে মাসে প্রথমবার ইবোলা সংক্রমণের কথা জানা গিয়েছিল কঙ্গোয়। মাত্র ৩ মাসে মধ্য আফ্রিকাজুড়ে আতঙ্কের অপর নাম হয়ে উঠেছে এই ভাইরাস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৫:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৫:৫৭

options
link
শুধু কঙ্গোয় ২০০০ জনের মৃত্যু! রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে মারণ ইবোলা, সতর্ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা zoom
ইবোলায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
Advertisement

গত মে মাসে প্রথমবার ইবোলা সংক্রমণের কথা জানা গিয়েছিল কঙ্গোয়। মাত্র ৩ মাসে মধ্য আফ্রিকাজুড়ে আতঙ্কের অপর নাম হয়ে উঠেছে এই ভাইরাস। সংক্রমণের জেরে শুধুমাত্র ডিআর কঙ্গোতে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষের। আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৪ হাজার। কঙ্গো ছাড়িয়ে উগান্ডাতেও ছড়াতে শুরু করে মারণ এই ভাইরাস। সেখানেও মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।

কঙ্গোর সরকারি রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, দেশে এখনও পর্যন্ত ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন। এর মধ্যে ২০১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭০৪ জন আইসোলেশন ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কার্যত রেকর্ড গতিতে ছড়াতে শুরু করেছে মারণ এই ভাইরাস। শুধু তাই নয় স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি, দূরদূরান্তে দুর্গম এলাকায় সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে বহু জায়গায় সংক্রমণ ছড়ালেও সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছন যাচ্ছে না। আরও উদ্বেগের বিষয় হল, কঙ্গো ছাড়িয়ে মারণ এই ভাইরাস উগান্ডায় প্রবেশ করেছে। সেখানে ২০ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।

Advertisement

কঙ্গো ছাড়িয়ে মারণ এই ভাইরাস উগান্ডায় প্রবেশ করেছে। সেখানে ২০ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তরফে জানা যাচ্ছে, কঙ্গোয় ইবোলার নয়া ভ্যারিয়েন্ট দেখা দিয়েছে সেটি হল বুন্দিবুগি। মারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বা কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। যার জেরে পরিস্থিতি এতটা গুরুতর। ইবোলার জেরে হু-এর তরফে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইবোলা ইস্যুতে সতর্ক ভারতও। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তার জন্য ল্যাবোরেটরিগুলিকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিমানবন্দরগুলিতে নজরদারি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। সমুদ্র বন্দরগুলিতেও সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। দেশের জনগণ সংবাদমাধ্যমগুলির কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, আতঙ্ক না ছড়ানোর পাশাপাশি কোনওরকম গুজব যেন তারা না ছড়ান।

তথ্য বলছে মারণ ইবোলা ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে মাত্র তিন দিনে রোগীর মৃত্যু হয়। স্পর্শের মাধ্যমে বা মানুষের আশেপাশে থাকার ফলেও ছড়াতে পারে ভাইরাসটি। হাঁচি, কাশি, সংক্রামিত প্রাণী খাওয়ার মাধ্যমেও ইবোলা হতে পারে। কোনও ক্ষতস্থান অথবা চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার মাধ্যমে ব্যক্তিকে সংক্রমিত করে। এটি অর্থোবোলাভাইরাস গোত্রের অন্তর্গত। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এবং দ্রুত চিকিৎসা না করালে মৃত্যুর সম্ভাবনা ব্যাপক বেড়ে যায়। রোগের লক্ষ্মণ হল, ডাইরিয়া, জ্বর, বমিভাব। হু’এর তরফে জানানো হয়েছে, ফলখেকো বাদুরের থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় এই ভাইরাস। এরপর আক্রান্তের শারীরিক সংস্পর্শে তা দ্রুত সংক্রমিত হয়। শুধু তাই নয়, আক্রান্তের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, মেঝে থেকেও ছড়াতে পারে সংক্রমণ!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.