২০০ কিলোমিটার গতির ইঞ্জিন গড়েও প্রশ্নের মুখে রেল

উচ্চগতির উপযোগী লাইন নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৮, ১৬:০০

options
link
২০০ কিলোমিটার গতির ইঞ্জিন গড়েও প্রশ্নের মুখে রেল
ফাইল ফোটো

সুব্রত বিশ্বাস: ‘ঢাল নেই, তরোয়াল নেই, নিধিরাম সর্দার।’ এমনই দশা রেলের পরিকাঠামোর। চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কস এমন এক ইঞ্জিন তৈরি করেছে যার গতি ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। রেলমন্ত্রী ইঞ্জিনটি নিয়ে উন্নতির ফিরিস্তি দিলেও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তা চলবে কোথায়? রেল কর্তাদের কথায়, এই গতিবেগ নিয়ে চলার মতো লাইন ভারতে নেই। এখন ভারতে লাইনের যা ক্ষমতা তাতে ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার ট্রেন চলাচলের উপযোগী। উপযোগী ক্ষমতা ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হলেও ‘পার্মিসিবল স্পিড’ ১৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলি ওই গতিসীমার মধ্যেই চলে।

Advertisement

সিএলডব্লু ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় চলার উপযোগী একটি ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ তৈরি করল। এরোডায়নামিক মডেলের এই লোকোমোটিভের মাথাটা ছুঁচলো। ফলে হাওয়ার গতিকে কাটিয়ে ছুটতে পারবে প্রচণ্ড গতিতে। এজন্য কম শক্তি খরচ হবে। রাজধানী, শতাব্দী ও গতিমান এক্সপ্রেসে এই লোকোমোটিভ লাগানো হবে। ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও তার সদ্ব্যবহার করার ক্ষমতা নেই লাইনের।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরিবেশ আদালতের নিষেধাজ্ঞা না মেনে রবীন্দ্র সরোবরে চলছে ছটপুজোর প্রস্তুতি ]

Advertisement

২০০ কিলোমিটার গতির এই লোকোমোটিভ চালাতে গেলে আগে লাইন-সহ সার্বিক পরিকাঠামোর বদল ঘটতে হবে বলে মনে করেছেন রেল কর্তারা। ২০০ কিলোমিটার গতির ট্রেনের জন্য লাইনকে উপযোগী করতে হবে। ট্রাকের ফিটিংস থেকে এক্সট্রা ব্যালাস্টকেও উপযুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি ২০০ কিলোমিটার গতি ট্রেন যে শাখায় চলবে তাতে থাকবে না কোনও লেভেল ক্রসিং। এজন্য প্রথমে তৈরি করতে হবে ওভারব্রিজ নয়তো আন্ডারপাস। লাইনের পাশে ফেন্সিং দিতে হবে। যাতে গরু, ছাগল থেকে মানুষ কেউই লাইনে উঠতে না পারে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও অপারেটিং বিভাগের কর্তারা জানিয়েছেন, ২০০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন ট্রেন চালাতে হলে লাইনকে ২২০ থেকে ২৩০ কিলোমিটার গতি ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে তৈরি করতে হবে। যা এখনই সম্ভব নয়। ফলে সিএলডব্লুর তৈরি এই ইঞ্জিন স্বমহিমায় চলতে পারবে না।

গতি সীমা না বাড়লেও এই ইঞ্জিনে প্রথম লাগছে ব্ল্যাক বক্স। এতকাল স্পিডোমিটার চার্টের উপর নির্ভর করে ট্রেনে চলাচলের রেকর্ড পাওয়া যেত। এখন ইঞ্জিনে ক্রু ভয়েস অ্যান্ড ভিডিও রেকর্ডার সিস্টেম থাকছে। যাতে ক্যামেরা, ভয়েস রেকর্ডারে পাইলটদের সব কাজকর্ম থেকে কথা বার্তা ধরা থাকবে। ফলে ট্রেন চলাকালীন সব রেকর্ডই ধরা থাকবে এই বক্সে। ঠিক বিমানের মতো।

শান্তি চেয়ে জুটল মার, ছেলের নামে অভিযোগ দায়ের মহিলার ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন