এখনও পর্যন্ত অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে কত আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে? বাংলায় এসআইআর (SIR Case) নিয়ে অধীররঞ্জন চৌধুরীর দায়ের করা মামলায় নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়ে গত কয়েকদিন আগেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেসের প্রাক্তন এই সাংসদ। আজ, মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে কমিশনের কাছে কীভাবে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে তা জানতে চায় আদালত? এমনকী কাজের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সময় আছে কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি।
শুনানিতে অধীর চৌধুরীর আইনজীবী রাউফ রহিম এদিন আদালতকে জানান, যাঁরা অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে রেখেছেন, তাঁদের রেশন-সহ নানা সামাজিক পরিষেবা থেকে বাদ দিচ্ছে সরকার। এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি জানান আইনজীবী।
আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশনের খামখেয়ালীপনার কারণে বাংলার প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অধীর চৌধুরী। ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়ে তাঁর দাবি, যে গতিতে কাজ চলছে তা শেষ হতে ৪ থেকে ৫ বছর লেগে যাবে। মুর্শিদাবাদ ও মালদহের মতো জেলায় অবিলম্বে ব্লক-ভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান সুপ্রিম কোর্টে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ আবেদনের চাপ সামাল দিতে আরও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের কথা বলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কংগ্রেস নেতা।
মামলার শুনানিতে অধীর চৌধুরীর আইনজীবী রাউফ রহিম এদিন আদালতকে জানান, যাঁরা অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে রেখেছেন, তাঁদের রেশন-সহ নানা সামাজিক পরিষেবা থেকে বাদ দিচ্ছে সরকার। এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি জানান আইনজীবী। যদিও এই বিষয়টি শুনতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপনারা যদি এই আবেদনের পরিধি বিস্তৃত করেন, তাহলে আমাদেরও আবেদন হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিতে হবে। কোনও ব্যক্তিকে সামাজিক সুযোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি হাইকোর্টের বিচারের বিষয়।
উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাংলার প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারদের নাম বাদ গিয়েছে। খসড়া তালিকা থেকে ফাইনাল রোল মিলিয়ে এত সংখ্যক ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। এদের মধ্যে মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট ভোটারাও রয়েছেন। এ দিকে ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রয়েছে ২৭ লক্ষ ভোটারদের নাম। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের শুনানি প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া খুবই ধীর গতিতে চলছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম।
সর্বশেষ খবর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে বিরসা মুণ্ডা-আম্বেদকরের মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা! চাঞ্চল্য তাহেরপুরে
-
জন্মদিনের কেকে মরা টিকটিকি! খাওয়ার পরেই পেটে-বুকে ব্যথা, হাসপাতালে সাত শিশু-সহ ১১ জন
-
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দাদাগিরি! ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
-
ফ্রিজ ম্যাগনেটেই লুকিয়ে সৌভাগ্যের চাবি! জেনে নিন বাস্তুমতে কী কী শুভ
-
করোনেশন সেতু থেকে তিস্তায় ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা মহিলার! কী করলেন স্থানীয়রা?