জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে ছন্দে ফিরেছে বর্ষা, বৃষ্টি চলবে আরও ৩ দিন

বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে উত্তরবঙ্গ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ০৮:৩৫

options
link
জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে ছন্দে ফিরেছে বর্ষা, বৃষ্টি চলবে আরও ৩ দিন

স্টাফ রিপোর্টার: এক নিম্নচাপের হাত ধরে বঙ্গে পা রেখেছিল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এবার জোড়া ঘূর্ণাবর্তের হাত ধরে পুরো রাজ্যে ঢুকে পড়ল বর্ষা। সোমবার শুরু হল বর্ষার দ্বিতীয় ইনিংস। এবং সূচনাতেই মারকাটারি। সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিনে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তা ভালই টের পেয়েছেন। সোমবারই কার্যত মরশুমের প্রথম পুরোদস্তুর বর্ষণমুখর দিন কাটাল কলকাতা। আগামী কয়েকদিন বর্ষার রানরেট কমবে না বলেই পূর্বাভাস আবহাওয়াবিদদের।

Advertisement

আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। অন্যদিকে অসম লাগোয়া উত্তরবঙ্গের উপর রয়েছে আরও। এই জোড়া ফলায় আগামী তিনদিন রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। জেলা প্রশাসনগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। নবান্ন থেকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাত্র ২ টাকা কেজি দরেও বিকোচ্ছে না আম, মাথায় হাত কৃষকদের ]

Advertisement

নিম্নচাপ অক্ষরেখার হাত ধরে গত সপ্তাহে গতি পেতে শুরু করেছিল বর্ষা। কিন্তু এদিন ঘূর্ণাবর্তের হাত ধরে পাকাপাকিভাবে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের উপমহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “উত্তরবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টি হবে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে আগামী পাঁচদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।” কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টির হুঁশিয়ারি। সঞ্জীববাবু জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা, এবং বুধবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে।

কীভাবে আইনি সাহায্য পাবেন নির্যাতিতা? হদিশ দেবে সিউড়ির সহায়তা কেন্দ্র ]

আলিপুর হাওয়া অফিসের অধিকর্তা গণেশকুমার দাসের কথায়, মেঘপুঞ্জগুলি মাটি থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরত্বে থাকায় অন্ধকার হয়ে যায়। তাঁর ব্যাখ্যা, ঘূর্ণাবর্তের কারণে বিভিন্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়। সেই বজ্রগুলি একত্রিত হয়ে একসঙ্গে জুড়ে বিশালাকার মেঘের মালা তৈরি করে। এই মেঘমালা একত্রিত হয়ে ধাবিত হওয়ার ফলেই বিদ্যুতের এমন দাপট দেখেছে দক্ষিণবঙ্গে।

কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, দুই মেদিনীপুরে এদিন সকালে শুরু হওয়া তুমুল বৃষ্টি দিনভর চলেছে। বিকেল অবধি আলিপুরে বৃষ্টি হয়েছে ৪২.৯ মিলিমিটার। এক ধাক্কায় আলিপুরের তাপমাত্রা তিন ডিগ্রি নেমে দাঁড়ায় ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বৃষ্টির ফলে এদিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়। যদিও পুরসভার তৎপরতায় পরে জল নেমে যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন