Jhargram

ঝাড়গ্রামের জঙ্গলে নয়, এবার দাঁতাল রামলাল ছুটবে কলকাতার পথে! ব্যাপারটা কী?

জেলা পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন স্টেট ট্রান্সপোর্ট অথরিটির অনুমোদনের অপেক্ষা।

সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৬:৩২

options
link
ঝাড়গ্রামের জঙ্গলে নয়, এবার দাঁতাল রামলাল ছুটবে কলকাতার পথে! ব্যাপারটা কী?
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

এতদিন জঙ্গলমহলের পথে-ঘাটে দেখা মিলত তার। কখনও বনপথে, কখনও গ্রামসংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ হাজির হয়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠত সে। সেই জঙ্গলমহলের ‘তারকা’ দাঁতাল হাতি রামলাল এবার আর শুধু জঙ্গলের বাসিন্দা নয়, তার নাম ছুটবে ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতার রাস্তায়। খুব শীঘ্রই ঝাড়গ্রাম–কলকাতা রুটে যাত্রী পরিষেবা শুরু করতে চলেছে ‘রামলাল’ নামে একটি নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বেসরকারি বাস। ইতিমধ্যেই বাসের গায়ে আঁকা হয়েছে রামলালের বিশাল ছবি ও নাম, যা পথচলতি মানুষের কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছে।

Advertisement

স্থানীয়দের একাংশের মতে, কোনও জনপ্রিয় বন্যপ্রাণীর নামে বাসের নামকরণ এ অঞ্চলে কার্যত নজিরবিহীন। এতে যেমন জঙ্গলমহলের সঙ্গে মানুষের আবেগের যোগ আরও দৃঢ় হবে, তেমনই বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের কাছেও এই এলাকার অন্যতম পরিচিত প্রতীক ‘রামলাল’-এর নাম নতুনভাবে পৌঁছে যাবে।

জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে রামলাল শুধুই একটি দাঁতাল হাতি নয়, বরং এক পরিচিত মুখ। বছরের পর বছর বিভিন্ন এলাকায় তার অবাধ বিচরণ, বন দপ্তরের নজরদারি এবং তাকে ঘিরে অসংখ্য গল্প-স্মৃতি রামলালকে কার্যত এই অঞ্চলের এক প্রতীকে পরিণত করেছে। সেই জনপ্রিয়তাকেই সম্মান জানিয়ে বাসটির এমন নামকরণ বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের কথায়, জঙ্গলমহলের পরিচিত পরিচয়কেই এই বাসের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। 

Advertisement

Advertisement

জেলা পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন স্টেট ট্রান্সপোর্ট অথরিটির অনুমোদনের অপেক্ষা। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র মিললেই ঝাড়গ্রাম–কলকাতা রুটে নিয়মিত চলাচল শুরু করবে বাসটি। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই এসি বাসে যাত্রীদের আরামদায়ক সফরের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রামলালের ফাইল ছবি।

স্থানীয়দের একাংশের মতে, কোনও জনপ্রিয় বন্যপ্রাণীর নামে বাসের নামকরণ এ অঞ্চলে কার্যত নজিরবিহীন। এতে যেমন জঙ্গলমহলের সঙ্গে মানুষের আবেগের যোগ আরও দৃঢ় হবে, তেমনই বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের কাছেও এই এলাকার অন্যতম পরিচিত প্রতীক ‘রামলাল’-এর নাম নতুনভাবে পৌঁছে যাবে। অনেকে আবার মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সম্পর্কেও ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে পড়বে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.