বয়স মাত্র একুশ বছর। ৭৭ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে (Republic Day) ইতিহাস রচনা করলেন বঙ্গকন্যা। দিল্লির কর্তব্যপথের কুচকাওয়াজে সর্বকনিষ্ঠ সঞ্চালিকা স্বপ্নিলা আচার্য। আনন্দের জোয়ারে ভাসছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
আরও পড়ুন:
‘ঘরের মেয়ে’র সাফল্যে উচ্ছ্বসিত গোটা গ্রামের বাসিন্দারা। হুগলির মগরা ব্লকের দিঘসুই গ্রামে জন্ম স্বপ্নিলার। তাঁর যমজ ভাই স্বপ্নিল। বাবার বদলির চাকরি। তাই দেশের নানা প্রান্তে এক একসময় বাস। জন্ম হুগলির গ্রামে হলেও পড়াশোনা করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের স্কুলে। বর্তমানে দিল্লিতে স্নাতক স্তরের ছাত্রী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সেরিমোনিয়াল বিভাগের প্যানেলের ধারাভাষ্যকার। তাঁর উত্থান যেন উল্কার মতো। সম্প্রতি জয়পুরে ‘আর্মি ডে প্যারেড’ এবং সোয়াই মান সিং স্টেডিয়ামে ‘শৌর্য সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানেও সফলভাবে সঞ্চালনা করেছেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এবার দিল্লির বুকে বাংলার নাম উজ্জ্বল করলেন স্বপ্নিলা।

সেই স্বপ্নিলার কণ্ঠই শোনা গিয়েছে কর্তব্যপথে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডের সময়। সর্বকনিষ্ঠ সঞ্চালক হিসাবে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের শীর্ষনেতাদের সামনে ধারাভাষ্যের মতো গুরুদায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। স্বপ্নিলা মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন বহু আগেই। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের প্রকল্প ‘যুবিকা’ (YUVIKA)-র অধীনে ইসরোর ‘ইয়াং সায়েন্টিস্ট’ হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। একই প্রকল্পে কাজ করেছেন তাঁর যমজ ভাই-ও। আপাতত শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন বঙ্গকন্যা। গর্বিত তাঁর বাবা, মা-ও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথা ঘোরা, কানে তালা, বদ্ধভাব এড়িয়ে যাবেন না, সাধারণ দুর্বলতা নাকি ভার্টিগোর পূর্বলক্ষণ?
-
‘রিল বানিয়ে লাভ নেই, প্রকৃত প্রাপকরা কেউ বাদ যাবেন না’, ‘অন্নপূর্ণা’দের ভরসা ‘ভাই’ শুভেন্দুর
-
‘অনন্ত সিং’ জিৎকে লাগাতার কটাক্ষ, ‘বন্ধ করো, ও বড় দাদার মতো’, ভক্তদের পাঠ দেবের!
-
‘যাদবপুরের ভিতরে-বাইরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই’, ছাত্র সংঘর্ষের পর হুঙ্কার শুভেন্দুর
-
সেনাকে সম্মান জানিয়ে গোর্খা এডিশন এনেছে এনফিল্ড, বাইক কেনার প্ল্যান থাকলে জেনে নিন ফিচার ও দাম