Abhishek Banerjee

সেবাশ্রয়ের নামে পৈলানে রিসর্ট ‘দখল’, অভিষেকের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে এফআইআর

অভিযোগ, প্রায় ৪০ দিন ধরে রিসর্ট দখল করে রেখে একটি টাকাও ভাড়া দেওয়া হয়নি। বকেয়া টাকা চাইতে গেলে অভিষেকের অনুগামীরা রিসর্ট ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ১৬:২৭

options
link
সেবাশ্রয়ের নামে পৈলানে রিসর্ট ‘দখল’, অভিষেকের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে এফআইআর
সেবাশ্রয়ের নামে পৈলানে রিসর্ট দখল!

আমজনতার হিতার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে অন্যতম স্বাস্থ্যশিবির ‘সেবাশ্রয়’ চালু করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরতে পরতে সীমাহীন দুর্নীতি! রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই একে একে তা সামনে আসতে শুরু করেছে। সেবাশ্রয়ের বেনিয়ম তুল ধরে শনিবারই বিধানসভায় বিবৃতি পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই সেবাশ্রয়কে কেন্দ্র করে নতুন অভিযোগ সামনে এল। পৈলানে রিসর্ট দখল করে সেবাশ্রয়ের ডাক্তার-কর্মীদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বকেয়া টাকা চাইতে গেলে অভিষেকের অনুগামীরা রিসর্ট ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বারংবার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিষ্ণপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল, অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

Advertisement

অভিযোগপত্রে দাবি, প্রায় ১১০ থেকে ১২০ জন স্বাস্থ্যশিবিরের ডাক্তার ও কর্মীদের থাকা-খাওয়া সহ তাঁদের যাতায়াতের সমস্ত খরচ বহন করতে হয়েছিল রিসর্ট কর্তৃপক্ষকেই। ‘সেবাশ্রয়’ ও ‘সেবাশ্রয়-২’ মোট ৪০ দিনের জন্য রিসর্টের সব রুম আটকে রাখা হয়েছিল। পর্যটনের মরশুমে কোনও রিসর্ট ভাড়া দিতে না পারায় একদিকে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, স্থানীয় শিবির পরিচালনার ক্ষেত্রেও টাকা আদায় করা হয়েছিল। টাকা দিতে না পারলে রিসর্ট ভাঙচুরের হুমকি দেন দিলীপ মণ্ডল ও সুমিত রায়। 

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় ও বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তোলে রিসর্ট কর্তৃপক্ষ। অভিযোগপত্রে দাবি, প্রায় ১১০ থেকে ১২০ জন স্বাস্থ্যশিবিরের ডাক্তার ও কর্মীদের থাকা-খাওয়া সহ তাঁদের যাতায়াতের সমস্ত খরচ বহন করতে হয়েছিল রিসর্ট কর্তৃপক্ষকেই। ‘সেবাশ্রয়’ ও ‘সেবাশ্রয়-২’ মোট ৪০ দিনের জন্য রিসর্টের সব রুম আটকে রাখা হয়েছিল। পর্যটনের মরশুমে কোনও রিসর্ট ভাড়া দিতে না পারায় একদিকে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, স্থানীয় শিবির পরিচালনার ক্ষেত্রেও টাকা আদায় করা হয়েছিল। টাকা দিতে না পারলে রিসর্ট ভাঙচুরের হুমকি দেন দিলীপ মণ্ডল ও সুমিত রায়। রিসর্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০-২৫ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতির শিকার হতে হয় তাদের।

Advertisement

রিসর্টের তরফে বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই রিসর্টের ম্যানেজার সমীরণ রায়। অভিযুক্তরা সকলেই প্রভাবশালী বলে উল্লেখ করা হয় কর্তৃপক্ষের তরফে। তাই তৃণমূল জমানায় মুখ খুলতে পারেননি বলে জানান তারা। রাজ্যে পালাবদলের পর সাহস করে পুলিশ দ্বারস্থ হয় রিসর্ট কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের ভিত্তিতে তোলাবাজি এবং দুর্নীতিদমন আইনের একাধিক ধারায় অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.