অর্ণব দাস, বারাকপুর: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক মৃত্যুর প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে সুবিচারের দাবিতে পথে নামতে পারেন নিহতের বাবা-মা-ও। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেকথা জানিয়েছেন সদ্য সন্তানহারারা। তাঁরা পথে নামলে আন্দোলনের ঝাঁজ যে নিমেষে আরও কয়েকগুণ বাড়বে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
তরুণী চিকিৎসকের বাবা এদিন বলেন, “ছাত্র আন্দোলনের পাশে আমরা আছি। প্রয়োজন হলে আমরাও যোগ দেব। আমরা বিচার চাই। বিহিত চাই। নিরপেক্ষভাবে যে আমাদের ডাকবে আমরা তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেব।” তরুণীর মা প্রায় কাঁদো কাঁদো গলায় আরও বলেন, “আমরা ছাত্রদের সঙ্গে থাকতে চাই। আমাদের মেয়ে চলে গিয়েছে। মেডিক্যাল পড়ুয়াদের এখন আমরা ছেলেমেয়ে মনে করছি। আমরা সবসময় ওদের পাশে থাকব।”
[আরও পড়ুন: আর জি করের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে CBI, হাই কোর্টের নির্দেশে আরও বিপাকে সন্দীপ]
গত ৮ আগস্ট, নাইট শিফটে ছিলেন তরুণী চিকিৎসক। পরদিন হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। সেই সময় প্রায় বিবস্ত্র ছিলেন তিনি। তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলেই দাবি। তবে ঘটনার পর তরুণী চিকিৎসকের পরিবারকে জানানো হয়, আত্মহত্যা করেছেন তিনি। সেকথা উল্লেখ করে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নিহতের বাবা। তদন্তভার নেওয়ার পর দিনদশেক কেটে গেলেও সিবিআইয়ের তরফে তদন্তে তেমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়নি। তাতে কিছুটা হলেও ধৈর্য হারাচ্ছেন বলেই দাবি তরুণী চিকিৎসকের বাবার। তবে সিবিআই তদন্তে আস্থা হারাননি তিনি। সদ্য সন্তানহারা বাবা-মায়ের একটাই আর্জি, “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কূলকিনারা করুক।”
[আরও পড়ুন: বিতর্কের মধ্যমণি সন্দীপকে ওএসডি পদে নিয়োগ? অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্বাস্থ্যসচিব]
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা