Black money

ক্যারিবিয়ান দ্বীপে পাচার তৃণমূলের ‘কালো টাকা’! বিস্ফোরক ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্র প্রসূন

চাঁচলের বিধায়ক প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত হোক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:২৬

options
link
ক্যারিবিয়ান দ্বীপে পাচার তৃণমূলের ‘কালো টাকা’! বিস্ফোরক ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্র প্রসূন
তৃণমূলের অর্থ পাচার নিয়ে বিস্ফোরক ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূলের তহবিল সংক্রান্ত তদন্তে নেমে সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কলকাতার একটি বিনিয়োগ সংস্থায় তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইডির দাবি ছিল, হাওয়ালার মাধ্যমে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে মোটা অঙ্কের ‘কালো টাকা’ পাচার হয়েছে বিদেশের বেশ কয়েকটি জায়গায়। এবার তা নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক দাবি করলেন ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্র তথা চাঁচলের তৃণমূল বিধায়ক, প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দলের ‘কালো টাকা’ পাচার হয়েছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপের নানা জায়গায়। উল্লেখ্য, এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি কেম্যান দ্বীপের কথা উঠে এসেছিল ইডির কথায়। আর প্রসূনের দাবি, শুধু কেম্যান নয়, ভানুয়াতু-সহ নানা দ্বীপে। পাচার হয়েছে বাংলাদেশেও। এ বিষয়ে তদন্ত করুক কেন্দ্রীয় সংস্থা, চাইছেন ‘আসল’ তৃণমূলের বিধায়ক।

Advertisement

প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ঋণের পরিবর্তে কোনও বন্ধক না রাখা বা চুক্তি না হওয়া প্রায় ১.৭৫ মিলিয়ন টাকা কেম্যান দ্বীপের একটি সংস্থার জন্য নেওয়া হয়েছিল। একটি হেলিকপ্টার কেনা হয়েছিল। এখানে আরেকটি সংস্থার নামও উঠে এসেছে – কেয়ারবেল অ্যাভিয়েশন অফ ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এখন বিষয়টি ইডির তদন্তাধীন বিষয়। এছাড়া মালদহের কয়েকজন তৃণমূল নেতা বাংলাদেশে, বিশেষত সেখানকার স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন। প্রসূনের দাবি, এসব অভিযোগ যদি মিথ্যা হয়, তাহলে সেসময়ে যাঁরা পার্টির তহবিলের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের উচিত এনিয়ে বিবৃতি দেওয়া।

ঠিক কী দাবি ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্রের? প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ঋণের পরিবর্তে কোনও বন্ধক না রাখা বা চুক্তি না হওয়া প্রায় ১.৭৫ মিলিয়ন টাকা কেম্যান দ্বীপের একটি সংস্থার জন্য নেওয়া হয়েছিল। একটি হেলিকপ্টার কেনা হয়েছিল। এখানে আরেকটি সংস্থার নামও উঠে এসেছে – কেয়ারবেল অ্যাভিয়েশন অফ ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এখন বিষয়টি ইডির তদন্তাধীন বিষয়। এছাড়া মালদহের কয়েকজন তৃণমূল নেতা বাংলাদেশে, বিশেষত সেখানকার স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন। প্রসূনের দাবি, এসব অভিযোগ যদি মিথ্যা হয়, তাহলে সেসময়ে যাঁরা পার্টির তহবিলের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের উচিত এনিয়ে বিবৃতি দেওয়া।

Advertisement

আসলে ভানুয়াতু, কেম্যানের মতো দ্বীপগুলি কার্যত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের আখড়া। তার মূল কারণ, এসব ছোট ছোট দেশের কর ব্যবস্থা। এখানকার নাগরিকদের কোনওরকম ট্যাক্স দিতে হয় না। সেই কারণে হিসেবনিকেশ রাখারও দরকার পড়ে না। যারা বেআইনিভাবে প্রচুর নগদ হাতে পেয়ে যান, কর ফাঁকি দিতে এসব দেশে বিনিয়োগ করেন, পাচার করেন। এহেন অন্ধকার চক্রের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের অনেকেরই যোগ আছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিয়ে যথাযথভাবে এর তদন্ত হোক। কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসবে। শীর্ষনেতৃত্বের কারা এই কাজে যুক্ত, সেসব নামও সামনে আসবে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.