RSS

পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি

২০২৬-২৭ সালে সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১৪:৫৯

options
link
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
ফাইল ছবি।

রাজ্যে পালাবদলের পরই সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে সদস্য সংগ্রহে জোর দিচ্ছে আরএসএসের (RSS) শিক্ষক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ বা এবিআরএসএম। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষক সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৩০ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংগঠনের তরফে খবর। ২০২৬-২৭ সালে সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ।

Advertisement

সরকার বদলের পর রাজ্যে স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ছে আরএসএসের এই শিক্ষক সংগঠন। আর সদস্য হওয়ার উৎসাহ দ্রুত বাড়ায় সতর্ক এবিআরএসএম নেতৃত্ব। কারণ, একসময়ে তৃণমূলের সত্রিয়রা রাতারাতি রং বদলে আরএসএসের শিক্ষক সংগঠনের সদস্য হতে নেমে পড়েছেন। আর তাই একেবারে নিজস্ব ‘ছাঁকনি’ ব্যবহার করেই সদস্য করার আগে দেখে নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল আমলে নেতৃত্ব দিয়েছে এরকম শিক্ষকদের নেওয়া হবে না। কিন্তু এবিআরএসএম নেতৃত্বের কথায়, এত দিন তৃণমূল বা বামেদের সংগঠনে যুক্ত ছিলেন বা থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন, এমন শিক্ষক অধ্যাপকদের স্বাগত। কিন্তু রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনকে ‘কলুষিত’ করার নানা ঘটনায় যাঁরা জড়িত, সক্রিয়ভাবে তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন তাঁদের স্থান হবে না। এবিআরএসএম বিদ্যালয়ের শিক্ষার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি প্রামাণিক বলেন, “ভারতের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী শিক্ষক সংগঠন হল এবিআরএসএম। পশ্চিমবঙ্গে ১৯৯২ সাল থেকে এই সংগঠন বৈভবশালী রাষ্ট্র নির্মাণের লক্ষ্যে সুযোগ্য নাগরিক নির্মাণ ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে যুগ উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা নির্ধারণের লক্ষ্যে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে কাজ করে আসছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাপি প্রামাণিকের কথায়, “গত বছর আমাদের সর্বমোট সদস্য সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের কাছাকাছি। এবার ছুটির পর বিদ্যালয় খোলার তিনদিনের মধ্যেই সদস্য সংখ্যা ৪০ হাজারে পৌঁছে গিয়েছে। আমরা আশা করছি এই বছর সদস্য সংখ্যা দেড় লক্ষে পৌঁছবে।” এবিআরএসএমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য, শুধুমাত্র শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের দাবি আদায় নয়, তার সঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রণয়নের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করাই উদ্দেশ্য। পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতি, দুর্নীতি, তোষণ, বঞ্চনা এগুলোকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করাও প্রাথমিক লক্ষ্য। উল্লেখ্য, বর্তমানে ২৮টি রাজ্যে এবং শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সংগঠন প্রসারিত। সারা দেশে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের বর্তমানে ১৫ লক্ষ সদস্য রয়েছে।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন