Samik Bhattacharya

দখলদারি, বেআইনি কাজকর্মে মদত দিলে বিধায়ক, সাংসদদেরও রেয়াত নয়! স্পষ্ট বার্তা শমীকের

রবিবার দুপুরে হাবড়ার প্রফুল্লনগরে এক দলীয় নেত্রীর পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা বলেন শমীক।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ২০:৫৩

options
link
দখলদারি, বেআইনি কাজকর্মে মদত দিলে বিধায়ক, সাংসদদেরও রেয়াত নয়! স্পষ্ট বার্তা শমীকের
শমীক ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি।

দলের পতাকা ব্যবহার করে দখলদারি, বেআইনি কর্মকাণ্ডে মদত দিলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। এ ধরনের ঘটনায় কোনও বিধায়ক বা সাংসদের নাম জড়ালেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। রবিবার দুপুরে হাবড়ার প্রফুল্লনগরে এক দলীয় নেত্রীর পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর দাবি, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তাই হল— বিভাজন বা দখলদারির রাজনীতি নয়, পশ্চিমবঙ্গকে হিংসামুক্ত করা। সেই লক্ষ্যেই দল চলবে।”

Advertisement

রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পুলিশকে ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ তোলেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, আগে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা নিজেদের কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী সঙ্গে নিয়ে যেতেন। এ প্রসঙ্গে শমীক বলেন, “আগে কেউ কেউ দিল্লি যেতেন ৫০০ পুলিশ নিয়ে। প্রোগ্রাম করতে যেতেন ১০০ জন মহিলা পুলিশ নিয়ে। তাঁদের জন্য কোনও শৌচাগারের ব্যবস্থাও করা হত না। পুলিশরা এনিয়ে আমাদের অভিযোগ করেছে। তাঁরা বলেছেন, কিছু করুন, আমাদের ইস্যুগুলোকে তুলুন। এগুলো আর থাকবে না।”

Advertisement

সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগকে কটাক্ষ করেন শমীক। তাঁর দাবি, “এগুলো তৃণমূলের ২৫-৭৫ ভাগের হিসেবের গন্ডগোল। যিনি অভুক্ত আছে, তাঁর অতৃপ্ত আত্মাই আজ কথা বলছে।” এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলেও এদিন ফের একবার দাবি করেন শমীক।

Advertisement

শমীকের অভিযোগ, সম্প্রতি ‘চার ঘণ্টার বিজেপি’ হয়ে যাওয়া কিছু মানুষ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। হাবড়া, অশোকনগর, পুরুলিয়া থেকে ডুয়ার্স— সর্বত্র তাঁদের সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, “এদের অধিকাংশই আগে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এতদিন তারা যে লুটপাট চালাত, এখন বিজেপির পতাকা ব্যবহার করে বালিখাদান, পাথরখাদান, সীমান্ত এলাকা কিংবা গরু পাচার-সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে।” এই পরিস্থিতি তাঁর কড়া সতর্কবার্তা, “এসব চলতে দেওয়া হবে না। খুব শীঘ্রই নতুন সরকারের শপথ সম্পন্ন হবে, তারপরই বিষয়গুলি আমরা টেক আপ করব। দলের কোনও বিধায়ক, কোনও সাংসদ যদি এসবে মদত দেন, সেটাও দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ বলে গণ্য করা হবে। তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.