terrorist arrest case

‘নবান্নে জানিয়ে তল্লাশি চালালে জঙ্গিরা পালাত’, ফের বিস্ফোরক সায়ন্তন বসু

মমতার আমলে রাজ্যে জঙ্গি তৈরি হচ্ছে বলে কটাক্ষ সাংসদ সৌমিত্র খাঁ'র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ২০:১২

options
link
‘নবান্নে জানিয়ে তল্লাশি চালালে জঙ্গিরা পালাত’, ফের বিস্ফোরক সায়ন্তন বসু

বিক্রম রায় ও রাজ কুমার: দিলীপ ঘোষের পথে হেঁটে বাংলা থেকে জঙ্গি গ্রেপ্তারির ঘটনায় রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু (Sayantan Basu)। বললেন, “নবান্নকে তল্লাশির কথা জানালে জঙ্গিরা পালিয়ে যেত।” প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপুলিশের ভূমিকা নিয়েও।

Advertisement

রবিবার কোচবিহারের মাথাভাঙা থেকে আল কায়দা (Al Qaeda) জঙ্গি গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে আলোচনা করার সময় সায়ন্তন বসু বলেন, “দিল্লি থেকে টিম এসে জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করল, তাহলে ওখানকার পুলিশ কী করছিল?” প্রশ্নের সুরে বলেন, “তবে কি পুলিশ সবটাই জানত?” পুলিশের বিরুদ্ধে অকর্মণ্যতার অভিযোগও তোলেন তিনি। এদিন সায়ন্তন বসু বলেন, “আমি কেন্দ্রের কাছে আবেদন করব তদন্তের সময় রাজনৈতিক দিকও খতিয়ে দেখার জন্য।”তাঁর কথায়, কোন কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি ওই জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে তা সামনে আসা প্রয়োজন। এরপর রাজ্য সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা। বলেন, “শুনলাম রাজ্য পুলিশের ডিজিপি NIA-কে চিঠি দিয়েছেন, জানতে চেয়েছেন কেন তাঁদের না জানিয়ে অভিযান চালানো হল। উত্তর আমার কাছেই রয়েছে। নবান্নে খবর দিয়ে তল্লাশি হলে জঙ্গিরা পালাত।” সায়ন্তন বসুর এই মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এদিন আলিপুরদুয়ার থেকেও একাধিক ইস্যুতে রাজ্যকে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা। বলেন, রাজ্য সরকারের গোপন করার কারণেই বাংলায় করোনা সংক্রমণ এই হারে বেড়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিবাদ মেটাতে সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্বভারতী ও জেলাপ্রশাসন, জানাল হাই কোর্টের তৈরি কমিটি]

উল্লেখ্য, শনিবার রাজ্য সরকারের জন্যই বাংলায় জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। বলেছিলেন, “পুলিশ জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না। অথচ সাধারণ মানুষকে বিজেপি করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গাঁজার কেস দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের গতিবিধি এবং সারা পশ্চিমবাংলায় ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের গতিবিধি বাড়িয়ে তুলছে। এই দুই গোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে ভোট জেতার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেতাদেরও খুন করানো হচ্ছে। CAA পাশ হওয়ার পর তৃণমূল বিরোধিতা করেছে। ফিরিয়ে এনেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্যই দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়ছে।” ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কার্যত এদিন একথাই বললেন সায়ন্তন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের ৪ জেলায় মডিউল বানিয়ে সেনার উপরে হামলার ছক ছিল ধৃত আল কায়দা জঙ্গিদের]

অন্যদিকে, এই ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে বিঁধেছেন বিজেপি যুব মোর্চা রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ-ও। তাঁর মন্তব্য, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি তৈরি হচ্ছে।” শিলিগুড়ির এক অনুষ্ঠানে তাঁর আরও বক্তব্য, ”রাজ্যে জঙ্গি তৈরি হবে আর কেন্দ্রীয় সরকার, তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী চোখ বন্ধ করে থাকবেন, তা তো হয় না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন