মদের দোকান চালাচ্ছেন খোদ সাংসদের নিরাপত্তারক্ষী! প্রতিবাদে সরব এলাকাবাসী

উত্তেজনা বালুরঘাটে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮, ২১:২৮

options
link
মদের দোকান চালাচ্ছেন খোদ সাংসদের নিরাপত্তারক্ষী! প্রতিবাদে সরব এলাকাবাসী
ছবি: প্রতীকী

রাজা দাস, বালুরঘাট: মদের দোকান ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা বালুরঘাটে । সূত্রের খবর, মদের দোকানটি তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষের নিরাপত্তারক্ষী শ্যামল সরকারের।  মঙ্গলবার সকালে দোকানটি ভাঙতে গেলে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শহরের একে গোপালন কলোনি।  একদিকে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। অন্যদিকে পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে ইট বৃষ্টি। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। জনতার ছোঁড়া ইটের আঘাতে আহত বালুরঘাট থানার আইসি সঞ্জয় ঘোষ-সহ কয়েক জন পুলিশকর্মী। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশিস নন্দীর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নামানো হয় র‍্যাফও।

Advertisement

[লালকুঠি ঘিরে পাহাড়ে নতুন পর্যটন কেন্দ্র, দার্জিলিংয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

Advertisement

জানা গিয়েছে, পেশায় পুলিশকর্মী শ্যামল বাবু বালুরঘাটের একে গোপালন কলোনিতে নতুন বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেছেন। দু’মাস আগে একটি মদে দোকানটি চালু করেন তিনি। জনবসতিপূর্ন এলাকায় মদের দোকান খোলায় ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা । মঙ্গলবার দোকানটি ভাঙতে যান তাঁরা। স্থানীয়দের অভিযোগ , তৃণমূল নেতা তথা বালুরঘাটের সাংসদ অর্পিতা ঘোষের নিরাপত্তারক্ষী হওয়ায় সহজেই এই মদের দোকানের লাইসেন্স পেয়েছেন শ্যামল সরকার। যদিও, এই অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। সাংসদের নিরাপত্তরক্ষীর পালটা দাবি, নিয়ম মেনেই মদের দোকান লাইন্সেস নিয়েছেন। কোনও কারণ ছাড়াই দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এমনকী, তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয়রা জানান, এলাকায় কোনও মদের দোকান চলতে দেবেন না। সেই জন্য ওই দোকানটি ভাঙতে গিয়েছিলেন। উলটে পুলিশই তাঁদের উপরে অত্যাচার করেছে বলে। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান বালুরঘাটের সাংসদ অর্পিতা ঘোষ।

Advertisement

[ভাতের থালায় ফোঁটা ফোঁটা রক্ত, ময়ূরেশ্বরে যুবক খুনে রহস্য জটিল]

অন্যদিকে , প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের গাড়ির চালক সুমন দাসকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বালুরঘাট আদালতে তোলা হয় ধৃতকে। ওই চালককে ১৪ দিনের হেফাজতের জন্য আবেদন করে পুলিশ। আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা স্বীকারও করেন তৃণমূল নেতার গাড়ির চালক। জানা গিয়েছে, ধৃতের কাছ থেকে মিলেছে একটি গুলি ভরতি নাইন এমএম পিস্তল। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কথা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল শুরু হয়েছে এলাকায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.