Medinipur College

কলেজ ক্যাম্পাসে ‘হাতাহাতি’, পুলিশকে ‘হেনস্তা’, এসএফআইয়ের ধর্মঘটে কোচবিহার থেকে মেদিনীপুরে তুলকালাম

ছাত্র ধর্মঘটের শুরুতেই প্রবল অশান্তি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৫, ১২:৩৯

options
link
কলেজ ক্যাম্পাসে ‘হাতাহাতি’, পুলিশকে ‘হেনস্তা’, এসএফআইয়ের ধর্মঘটে কোচবিহার থেকে মেদিনীপুরে তুলকালাম

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এসএফআইয়ের ডাকে ছাত্র ধর্মঘটের শুরু থেকেই কলেজে কলেজে অশান্তি। সোমবার সকাল থেকে মেদিনীপুর কলেজে তুলকালাম। এসএফআইয়ের অভিযোগ, পুলিশের মদতে টিএমসিপি সমর্থকরা তাদের পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। তার জেরে টিএমসিপি সমর্থকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে এসএফআই। দু’পক্ষের হাতাহাতিও হয় একপ্রস্থ। সবমিলিয়ে সকাল থেকে উত্তপ্ত কলেজ চত্বর। 

Advertisement

অন্যান্য দিনের মতো সোমবার সকালেও পড়ুয়ারা মেদিনীপুর কলেজে আসেন। অভিযোগ, পড়ুয়াদের কলেজে ঢুকতে বাধা দেয় এসএফআই। পালটা প্রতিরোধ করে টিএমসিপি। তা নিয়ে দু’পক্ষের প্রথমে বচসা বাধে। পরে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিশাল পুলিশবাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে পুলিশের সঙ্গে এসএফআই সমর্থকরা দুর্ব্যবহার করে বলেও অভিযোগ। এখনও বেশ থমথমে কলেজ চত্বর।

Advertisement

Medinipur-College

Advertisement

এদিকে, ছাত্র ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে ওঠে মেদিনীপুরের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাঁশকুড়ার বনমালি কলেজও। কোচবিহারের জেনকিন্স স্কুল মোড় এবং শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কের কাছেও তুমুল উত্তেজনা। সেখানে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে এআইডিএসও এবং টিএমসিপি। কোচবিহারেও মৃদু অশান্তি লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে প্রতিক্ষেত্রেই পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ছিল। অভিযোগ, ওইদিন সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অশান্তি তৈরির চেষ্টা শুরু করে বাম ছাত্ররা। ছাত্র সংসদ নির্বাচন-সহ একাধিক দাবিতে সুর চড়াতে থাকে তারা। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পৌঁছনোর আগে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে একদল বাম ছাত্র। চলে স্লোগানিং। পালটা তাতে বাধা দেয় টিএমসিপি। দু’পক্ষের হাতাহাতি, ধস্তাধস্তি শুরু হয়। তারই মাঝে শুরু হয় ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা। আচমকা সভাস্থলে পৌঁছে যায় বিক্ষোভকারীরা। তুমুল উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে থাকা তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতির অফিসেও ব্যাপক ভাঙচুর শুরু হয়। আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ব্রাত্য বসুর গাড়ির চাকার হাওয়াও খুলে দেওয়া হয়। ধাক্কাধাক্কিতে চোট পান খোদ শিক্ষামন্ত্রী। এসএসকেএম হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসাও হয় তাঁর। বর্তমানে আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ শিক্ষামন্ত্রী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সোমবার রাজ্যের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে এসএফআই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.