Gangasagar Mela

কেন্দ্রের কাছে ব্রাত্য! মোদিকে নিশানা করে গঙ্গাসাগরকে ‘জাতীয় মেলা’ ঘোষণা পুরীর শঙ্করাচার্যর

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৫, ২১:০৮

options
link
কেন্দ্রের কাছে ব্রাত্য! মোদিকে নিশানা করে গঙ্গাসাগরকে ‘জাতীয় মেলা’ ঘোষণা পুরীর শঙ্করাচার্যর
সাংবাদিকদের মুখোমুখি পুরীর শঙ্করাচার্য। নিজস্ব চিত্র

সুরজিৎ দেব, গঙ্গাসাগর: আবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনায় সরব পুরীর শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী মহারাজ। গঙ্গাসাগরে ভাঙন এবং মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নরম মনোভাব দেখানো উচিত। সেই কথাও জোরালো ভাবে বলেছেন তিনি।

Advertisement

গঙ্গাসাগর মেলা চলছে মহা সমারোহে। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী সেখানে হাজির হচ্ছেন। গঙ্গাসাগরে এই মুহূর্তে আছেন শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী মহারাজ। সোমবার তিনি সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানেই তিনি কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদির পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপর নরম মনোভাব দেখানো উচিত। কারণ, বাংলা তো বটেই, সাগরমেলায় দেখা মেলে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ, দিল্লি, রাজস্থান, গুজরাট থেকে আসা বহু মানুষের।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি আরও বলেন, “সরকার ঘোষণা করুক বা নাই করুক। আমি ঘোষণা করছি গঙ্গাসাগর মেলা জাতীয় মেলা। জাতীয় মেলা বলে আমি প্রতিবার আসি।” তিনি আরও জোরালো ভাবে দাবি করেন, “বিজেপির গোপন এজেন্ডা হল আগে পশ্চিমবঙ্গ দখল করবে। তারপর গঙ্গাসাগরকে জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষণা করবে। কিন্তু গঙ্গাসাগর হিন্দুদের পবিত্র স্থান। হাজার হাজার বছর ধরে এটি পূজিত হয়ে আসছে। রাজনৈতিক ফায়দা তুললে এত বড় স্থানের মাহাত্ম্য সমুদ্রে বিসর্জিত হয়ে যাবে।”

Advertisement

গঙ্গাসাগরের একাধিক এলাকা ভাঙনের কবলে। রাজ্য সরকারের তরফে সেই ভাঙন প্রতিরোধ করার কাজ চলছে। এই মেলাকে রাষ্ট্রীয় মেলা ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারও সেই দাবি তোলা হয়েছে। কিন্তু কোনওভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে সেই বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করা হচ্ছে না। মুড়িগঙ্গা নদীর উপর রাজ্য সরকার কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়াই সেতু তৈরি করছে। সেই সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ৩০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে মহাকুম্ভে। সেখান থেকে গঙ্গাসাগরের গুরুত্ব কম কিছু নয়। এমনই মন্তব্য তিনি করেছেন। তবে গঙ্গাসাগরকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পের নামে পরিবেশ ধ্বংস করার বিপক্ষে তিনি।

অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন পুরীর শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী। সমালোচনার সুরে তিনি বলেন, “ভারতে মূল মন্দিরের ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা, ঐতিহ্য, স্থান, মাহাত্ম্যর জন্য অযোধ্যায় রামজির স্থাপন। কেউ যাত্রা দলে রামের ভূমিকায় অভিনয় করলেই কি সে আসল রাম হয়ে যায়?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.