নিজস্ব সংবাদদাতা, তেহট্ট: দু’জন অভিন্ন হৃদয় বন্ধু। কিন্তু সেই বন্ধুই কিনা স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে! স্রেফ সন্দেহের বশেই সাতসকালে এক যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দিল তারই বন্ধু। মারা গিয়েছেন গুলিবিদ্ধ যুবক। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদিয়ার পলাশিপাড়ার বিডিও অফিস চত্বরে। অভিযুক্ত পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে পলাশিপাড়া থানার সামনের রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
[প্যারাগ্লাইডিং করতে গিয়ে পাহাড়ে দুর্ঘটনা, মৃত্যু পাইলটের]
মৃতের নাম সুভাষ বিশ্বাস। পেশায় তিনি কয়লা ব্যবসায়ী। পলাশিপাড়ার বিজয়নগরে থাকতেন সুভাষ। অভিযুক্ত বিভাস বিশ্বাসের বাড়িও বিজয়নগরে। সিআরপিএফের জওয়ান ছিল সে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সুভাষ ও বিভাসের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। এমনকী, শনিবার রাতে বন্ধুর সঙ্গে চড়ুইভাতিতেও শামিল হয়েছিলেন সুভাষ। রবিবার সকালে পলাশিপাড়ায় বিডিও অফিস চত্বরে একটি সারের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন সুভাষ। পায়ে হেঁটে ওই দোকানে আসে বিভাস। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে দেয় সে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে যান সকলে। আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে শুরু করেন অনেকেই। শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত অবস্থায় সুভাষকে উদ্ধার করে পলাশিপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এদিকে হইহট্টগোলের মাঝেই পালিয়ে যায় অভিযুক্ত বিভাস মণ্ডল। তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা লাগোয়া পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশের দাবি, বিভাস সন্দেহ করত যে, সুভাষের সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে তার স্ত্রী। এদিকে খোদ বিডিও অফিস চত্বরে গুলি চলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পলাশিপাড়ার বিধায়ক তাপস সাহা। তাঁর দাবি, নিহত যুবক শাসকদলের কর্মী ছিলেন। তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানান বিধায়ক।
[ ভিনরাজ্যের মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে ঘরে ফেরাল পুলিশ]
সর্বশেষ খবর
-
ভিটামিন সি-র ‘ছদ্মবেশে’ বিষাক্ত রাসায়নিক পাচার! আমেরিকায় কারাদণ্ড গুজরাটের ব্যবসায়ীকে
-
শহরের ‘উত্তম করিডরে’ তারকাখচিত পদযাত্রা, বাংলা ছবির অমৃতকাল ফেরানোর শপথ শুভেন্দুর
-
এবার আইএফএ শিল্ড খেলবে মোহনবাগান? শর্ত বেঁধে দিল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা
-
টানা বৃষ্টিতে প্লাবন উত্তরপ্রদেশ, তিন জেলায় মৃত ৫, বিহারে বিপদসীমার উপরে বইছে গঙ্গা
-
খাঁ খাঁ ক্লাসরুম, নাম ডাকার খাতা হাতে বাঁকুড়ায় পড়ুয়াদের বাড়ি বাড়ি ঢুঁ শিক্ষকদের, ব্যাপারটা কী?