মহানায়কের জন্ম শতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে রাজ্য সরকার। একগুচ্ছ কর্মসূচীর আয়োজন করা হবে, সেই ঘোষণা আগেই করেছিলেন শুভেন্দু। যেমন কথা তেমন কাজ। উত্তমকুমারের জীবন ও কর্মকাণ্ড ঘিরে প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র উৎসব, সেমিনার, সংবর্ধনা, ডাকটিকিট প্রকাশের পাশাপাশি ছিল বর্ণাঢ্য পদযাত্রা। মহানায়ককে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য আয়োজিত এই পদযাত্রা ‘ট্রিবিউট ওয়াক’। আলোকমালায় সাজানো রাস্তা, যেখানে টলিগঞ্জের শিল্পীদের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী।
সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানেও শাড়িতেই মহানায়ক স্মরণ ঋতুপর্ণার। ‘নায়ক’ সিনেমার ছবি লাগানো টি-শার্ট পরে নন্দন থেকে শহরের ‘উত্তম করিডরে’ তারকাখচিত পদযাত্রার সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা। এদিনের এই বিশেষ পদযাত্রায় ছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, যিশু ,সেনগুপ্ত, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টোরাজ, জিৎ, বিশ্বনাথ বসু, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অঞ্জনা বসু, রুদ্রনীল ঘোষ-সহ আরও অনেকে। নন্দন থেকে এই পদযাত্রায় ছিলেন চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী, হরনাথ চক্রবর্তীরাও।
আরও পড়ুন:
মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে শিল্পীদের সঙ্গে বিশেষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যজুড়ে চারদিন ধরে চলবে উত্তম-স্মরণ। পদযাত্রা শেষে বিশেষ বক্তৃতা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজকের এই বিশেষ দিনে বাংলা সিনেদুনিয়ার স্বর্ণযুগ ফেরাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। মঞ্চ থেকে দৃপ্ত কণ্ঠে বলেন, “দক্ষিণ ভারত, মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে খুবই প্রাণবন্ত। আমরাই তো আগে ইন্ডাস্ট্রিকে লিড করতাম। ভারতবর্ষকেও লিড করতাম। এবার বলিউডকে টেক্কা দেবে টলিউড। আবার আগের জায়গায় ফিরতে হবে। তার জন্য বিধানসভায় এসে ছবির বাজেট, সিনেমার জন্য যা ছাড়পত্র প্রয়োজন সেগুলো বলুন। যদি আইন বদলানোর প্রয়োজন হয় সেটাও জানান। অমৃতকাল ফিরিয়ে আনার শপথ নিয়ে ৩ থেকে ৬ আনন্দ করব।”

উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালনে বিশেষ উদ্যোগী ছিলেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সুপারস্টারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার সহ্গে সচিবালয়ে দেখা করতে এসেছিলেন। সেদিন বলেছিলেন, নিজের জন্য কিছু চাইতে আসিনি। আপনার হাতে তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর। মহানায়কের জন্মশতবর্ষ দারুণভাবে উদযাপন করতে চাই। তাই সরকার যেন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এরপর ধীরে ধীরে সন্দীপ রায়, জিৎ, রুদ্রনীলরা একে একে এগিয়ে আসেন। আমরা তৎপরতার সঙ্গে জোরকদমে কাজ শুরু করে দিই।”

মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী বিশেষ ঘোষণায় জানান, “যাঁরা কলকাতায় শুটিং করতে আসবেন তাঁরা ৩০ শতাংশ সাবসিডি পাবেন। ক্যাশে হবে না, ট্যাক্স এ অ্যাডজাস্ট করবে। মিঠুন, ইম্পার উদ্যোগে সেটা হবে।” অনুষ্ঠানের শেষলগ্নে উত্তমকুমারের পরিবারের সদস্য-সহ সেখানে উপস্থিত সকলকে মিষ্টিমুখ করান শুভেন্দু। কিন্তু, এদিন দেখা মিলল না গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রাত্রিবাস করেছিলেন মহানায়ক, ‘উত্তম’ স্মৃতি আগলে আজও নতু গ্রামের জমিদার বাড়ি
-
পুরভোটে স্ট্র্যাটেজি বদল সিপিএমের! জোট নিয়ে নিচুতলার কর্মীদের ‘স্বাধীনতা’ দিল আলিমুদ্দিন
-
নদী না ডাস্টবিন! তীরে আবর্জনার পাহাড়, একা হাতে পরিষ্কার তরুণের, ছবি দেখে কুর্নিশ নেটপাড়ার
-
বন্যাকে থোড়াই কেয়ার, গির্জার ভিতর কোমর জলেই বিয়ে বর-কনের! ভাইরাল ভিডিও
-
চুলে সর্বক্ষণ ক্ল্যাচার লাগানোর অভ্যেস? অসচেতন হলেই মহাবিপদ, সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা