SIR in Bengal

স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূকে SIR শুনানিতে তলব! ভোটাধিকার থাকবে তো? ‘আতঙ্কে’ মালদহে মৃত্যু বৃদ্ধের

এসআইআর শুনানিতে স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূর ডাক পড়েছে। নোটিস পাওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন বৃদ্ধ। ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে তো? সেই আতঙ্ক ক্রমে তাঁকে গ্রাস করছিল বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হল। এসআইআর আতঙ্কেই তিনি প্রাণ হারালেন বলে অভিযোগ পরিবারের।

বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৬:১৭

options
link
স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূকে SIR শুনানিতে তলব! ভোটাধিকার থাকবে তো? ‘আতঙ্কে’ মালদহে মৃত্যু বৃদ্ধের

এসআইআর (SIR in Bengal) শুনানিতে স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূর ডাক পড়েছে। নোটিস পাওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন বৃদ্ধ। ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে তো? সেই আতঙ্ক ক্রমে তাঁকে গ্রাস করছিল বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হল। এসআইআর আতঙ্কেই তিনি প্রাণ হারালেন বলে অভিযোগ পরিবারের। চাঞ্চল্যকর ঘটনা মালদহের চাঁচলে। মৃতের নাম জলিল আলি। ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।

Advertisement

এসআইআর (Bengal SIR) শুনানি ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ চলছে! পথে নেমে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটছে। বাংলার বহু জায়গায় এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগও সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল মালদহের চাঁচল। ষাঠোর্ধ্ব ওই বৃদ্ধের বাড়ি চাঁচল ২ ব্লকের বলরামপুর এলাকায়। এসআইআরের ফর্ম ফিলআপ করেছিলেন পরিবারের লোকজন। এবার শুনানিতে ওই পরিবারের সদস্যদের ডাক পড়েছিল। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই ওই পরিবারে শুনানির তলবের নোটিস আসে।

Advertisement

দেখা যায়, জলিলের স্ত্রী, ছেলে এবং ছেলের বউ-এর নামে এসআইআর-এর হিয়ারিং-এর নোটিস এসেছে। আগামী দিনে তাঁদের শুনানিতে যাওয়ার কথা। ওই নোটিস আসার পরেই বৃদ্ধ জলিল আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছিলেন। তাঁদের ভোটাধিকার থাকবে তো? ক্রমশ সেই আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করছিল বলে পরিবারের অভিযোগ। অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জলিল। আজ, মঙ্গলবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন জলিল। কিছু সময়ের মধ্যেই তিনি মারা যান। এসআইআর আতঙ্কে তিনি মারা গেলেন বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

মৃত্যুর খবর শুনেই ওই বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় মালতীপুরের বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআর আতঙ্কের কারণেই বৃদ্ধ জলিল আলি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এজন্য বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন দায়ী। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.