সুমন করাতি, হুগলি: কাজের জন্য যেতেন এক জেলা থেকে অন্য জেলায়। ভোটার-আধার কার্ড অন্যান্য কাগজপত্র বানানোর কথা খুব একটা ভাবেননি! হুগলির বলাগড়ে থিতু হওয়ার পর মেলে সবকিছু। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁদের নাম তালিকায় থাকবে কি না, তা নিয়ে আতঙ্কে ৭০-৮০টি আদিবাসী পরিবার। তাঁদের প্রশ্ন, এই মাটির সন্তান হয়েও নাম বাদ যাবে?
বলাগড় ব্লকের জিরাটের খাসেরচর। এখানে বাস আদিবাসী পরিবারগুলির। দশ-পনেরো বছর আগে তাঁরা হুগলির বলাগড় ব্লকের জিরাটের স্থায়ীভাবে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নেন। মেলে আধার-ভোটার কার্ড। কিন্তু ২০০২ সালে নাম নেই অনেকের। কেন নেই?
ফুলমনি, তালা, কাদরা-সহরা জানাচ্ছেন, জীবিকার খোঁজে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, বর্ধমান-সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ঘুরে ঘুরে কাজ করতেন । মরসুম অনুযায়ী এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতেন। পূর্বপুরুষরাও একই ভাবে জীবনযাপন করতেন। কখনও ভাবেননি তাঁরা ভারতের বাসিন্দা তা প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু এখন করতে হচ্ছে! ফলে আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের।
ফুলমনিরা প্রশ্ন করেন, “আমরা এই দেশের আদিবাসী। জন্ম এই দেশে। তবুও কি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাবে?” আরও দাবি, “আমরা অন্যদেশ থেকে আসিনি। কাজের জন্য এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যেতাম মাত্র।” এসআইআর নিয়ে আতঙ্কে থাকা পরিবারগুলির একটাই আবেদন, “ভোটার তালিকায় আমাদের নাম যেন থাকে। আমাদের অস্তিত্ব যেন মুছে না যায়।”
সর্বশেষ খবর
-
নেপালে খোঁজ মিলল বাংলার দু’জনের, বাকিদের কী খবর? টিম পাঠাতে চান শুভেন্দু
-
নিজের ব্যানার-পোস্টার নিজেই খুললেন মন্ত্রী শংকর, শিলিগুড়িকে সাজাতে অভিনব উদ্যোগ
-
‘শুধু অন্তর্বাস পরে একশো পুরুষের সামনে’, শুটিংয়ে বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা দিয়া মির্জার
-
পুজোর আগে ঝরঝরে হতে চান? কড়া ডায়েট নয়, এই ১০ অভ্যাসেই বাজিমাত!
-
তিন সপ্তাহে ৬০ সদ্যোজাতের মৃত্যু, মালদহ মেডিক্যালে তদন্তে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটি