Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Weight Loss

পুজোর আগে ঝরঝরে হতে চান? কড়া ডায়েট নয়, এই ১০ অভ্যাসেই বাজিমাত!

কেউ ভাত-রুটি ছেড়ে দেন, কেউ আবার প্রতিদিন কঠিন শরীরচর্চায় নেমে পড়েন। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য কি সত্যিই এত কড়াকড়ির প্রয়োজন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ২১:১৩

options
link
পুজোর আগে ঝরঝরে হতে চান? কড়া ডায়েট নয়, এই ১০ অভ্যাসেই বাজিমাত! zoom
পুজোর আগে শুধু ওজন নয়, অভ্যাসও বদলান। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

পুজো মানেই নতুন জামাকাপড়, সাজগোজ, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর রাতভর ঠাকুর দেখা। আর এই উৎসবের মরশুমে নিজের প্রিয় পোশাকে আরও একটু ফিট দেখাতে কে না চান! তাই পুজো এগিয়ে এলেই অনেকের শুরু হয়ে যায় ওজন কমানোর তাড়াহুড়ো। কেউ ভাত-রুটি ছেড়ে দেন, কেউ আবার প্রতিদিন কঠিন শরীরচর্চায় নেমে পড়েন। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য কি সত্যিই এত কড়াকড়ির প্রয়োজন?

ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর জন্য কোনও ‘ম্যাজিক ডায়েট’-এর প্রয়োজন নেই। বরং প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় কয়েকটি সহজ পরিবর্তন এনে সেগুলি নিয়মিত মেনে চলাই বেশি কার্যকর। কড়া ডায়েট বা অত্যন্ত কঠিন শরীরচর্চা ছাড়াই এই ১০টি অভ্যাস মেনেই ওজন কমানো সম্ভব।

Advertisement

পাতে থাকুক প্রোটিন
ওজন কমানোর চেষ্টা করলেও খাবার থেকে প্রোটিন বাদ দেওয়া চলবে না। ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, দই বা পনিরের মতো প্রোটিনের উৎস খাবারে রাখলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকার অনুভূতি বজায় থাকতে পারে। ফলে মাঝেমধ্যে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমতে পারে।

লক্ষ্য হোক ধীরে, কিন্তু স্থায়ী
পুজোর আগে দ্রুত কয়েক কেজি ওজন কমানোর লোভে ক্র্যাশ ডায়েট শুরু করা ঠিক নয়। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত লক্ষ্য তৈরি করুন। ধীরে ধীরে ওজন কমানোর অভ্যাসই দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সহজ।

puja weight loss 10 simple habits
পুজোয় চাই মেদহীন শরীর। ছবি: সংগৃহীত

‘ডায়েট ফুড’-এর দরকার নেই
ওজন কমাতে গিয়ে প্রতিদিন আলাদা খাবার রান্না করার প্রয়োজন নেই। বাড়ির সাধারণ খাবারই খান, তবে খাবারে যেন প্রোটিন, শাকসবজি, কার্বোহাইড্রেট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের ভারসাম্য থাকে। আসল কথা খাবারের গুণমান ও পরিমাণ।

পানীয়ের ক্যালরিতে লাগাম
চোখের আড়ালে থাকা ক্যালরিই অনেক সময় ওজন কমানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ঠান্ডা পানীয়, অতিরিক্ত চিনি দেওয়া কফি বা শেকের মতো পানীয় নিয়মিত খেলে অজান্তেই ক্যালরি বাড়তে পারে। তাই তেষ্টা মেটাতে জলকেই অগ্রাধিকার দিন।

ভাত-রুটি একেবারে বন্ধ নয়
ওজন কমানোর নাম করে কার্বোহাইড্রেট বা ফ্যাট পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কী খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন এবং পুরো দিনের খাবার কতটা সুষম, সেদিকেই নজর দিন।

puja weight loss 10 simple habits
ভাত বাদ নয়। ছবি: সংগৃহীত

জিম নয়, প্রতিদিনের হালকা শরীরচর্চাই যথেষ্ট
পুজোর আগে ফিট হতে গিয়ে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিম করার দরকার নেই। হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার, বাড়ির কাজ বা হালকা শরীরচর্চা ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে প্রতিদিন শরীরকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করুন। মাঝে মাঝে খুব কঠিন ওয়ার্কআউট করার চেয়ে নিয়মিত কোনও অভ্যাস, যাতে শরীরের নড়চড়া বজায় থাকে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

জলের ঘাটতি নয়
পর্যাপ্ত জল পান শরীরের স্বাভাবিক কার্যকলাপের জন্য জরুরি। জল পানের অভ্যাস ঠিক থাকলে অপ্রয়োজনীয় খিদে বা খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা সামলাতেও সুবিধা হতে পারে।

রাত জাগা কমান
পুজোর আগে কেনাকাটা, কাজের চাপ বা নানা ব্যস্ততায় ঘুমের সময় কমে যায় অনেকেরই। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য থাকলে ঘুমকে অবহেলা করবেন না। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং পরের দিন সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে।

আগে থেকেই খাবারের ছক করুন
পুজোর সময় বাইরে খাওয়া, অনিয়মিত সময়ে খাওয়া এবং চোখের সামনে নানা ধরনের খাবার, সবই থাকবে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিনকার খাবার সম্পর্কে আগে থেকেই একটা পরিকল্পনা করে রাখুন। এতে হঠাৎ খুব বেশি বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমানো সহজ হয়।

puja weight loss 10 simple habits
জরুরি শরীরচর্চা। ছবি: সংগৃহীত

নিখুঁত নয়, ধারাবাহিক থাকুন
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ধারাবাহিকতা। একদিন বেশি খেয়ে ফেললে বা শরীরচর্চা না হলে পরের দিন থেকে আবার নিজের রুটিনে ফিরে আসুন। প্রতিদিন ‘পারফেক্ট’ থাকার চেষ্টা করার চেয়ে দীর্ঘদিন ধরে সহজ কিছু অভ্যাস মেনে চলাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

পুজোর আগে শুধু ওজন নয়, অভ্যাসও বদলান
পুজোর আগে কয়েক কেজি ওজন কমানোর তাড়ায় শরীরকে কষ্ট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং উৎসবের আগে থেকেই খাবার, ঘুম, জলপান এবং শরীরচর্চায় ছোট ছোট পরিবর্তন আনুন। তাতে পুজোয় পছন্দের পোশাকে নিজেকে আরও আত্মবিশ্বাসী মনে করার পাশাপাশি, উৎসবের পরেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

তবে প্রত্যেকের শরীর ও প্রয়োজন আলাদা। তাই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য নিজে থেকে কঠোর ডায়েট শুরু না করে প্রয়োজন হলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.