SIR in West Bengal

‘লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি’ নিয়ে আপত্তি তুলে পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন, ‘ECI-কে জবাব দেব’, বললেন বাগনানের AERO

তাঁর বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হতে পারে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ২১:১৭

options
link
‘লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি’ নিয়ে আপত্তি তুলে পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন, ‘ECI-কে জবাব দেব’, বললেন বাগনানের AERO
ফাইল ছবি

এসআইআর এর লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বাগনান দু’নম্বর ব্লকের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের অফিসার। তিনি আবার বাগনান বিধানসভা কেন্দ্রের এইআরও মৌসম সরকার। এই প্রশ্ন ভালো চোখে নেয়নি নির্বাচন কমিশন। তাঁর বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হতে পারে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। যদিও এই বিষয়ে মৌসম সরকারের স্পষ্ট উত্তর, “আমি এখনও কোনও চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে যথাযথ উত্তর দেব।”

Advertisement

এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশন লম্বা পোস্ট করে জানিয়েছে, যদি মৌসম সরকারের কোনও ক্ষোভ থাকতো তাহলে তিনি সেটা তার ঊর্ধ্বতন অফিসারদের জানাতে পারতেন। এমনকি জেলা ইলেকশন অফিসারকেও জানাতে পারতেন যথাযথ পদ্ধতি মেনে। সেক্ষেত্রে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তাঁকে অন্যত্র পোস্টিং দিতে পারতেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের মতে তিনি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, পুরো বিষয়টা শৃঙ্খলাভঙ্গ, নিয়ম ভঙ্গ‌ এবং সাংবিধানিক সংস্থার প্রতি অসম্মান। তিনি এখন নির্বাচন কমিশনের কর্মী। তাই তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে আইন অনুযায়ী।

Advertisement

এই বিষয়ে মৌসম সরকার বলেন, তিনি এখনও চিঠি পাননি। চিঠি পেলে তিনি যথাযথ উত্তর দেবেন। এছাড়া তাঁর আরও দাবি, “জনগণের স্বার্থে এটা করা প্রয়োজন ছিল। অন্যান্য অফিসারদেরও এমনটা করা উচিত। না হলে জনগণের খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।”

Advertisement

প্রসঙ্গত গত ৮ জানুয়ারি মৌসম সরকার, বাগনান বিধানসভার এইআরও পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইআরও-সহ প্রশাসনের কর্তাদের চিঠি দেন। তাঁর এই ইস্তফার পিছনে থাকা যুক্তি কার্যত নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। আগামী ১৪ জানুয়ারি বাগনান ২ নম্বর ব্লকে শুরু হচ্ছে লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির শুনানি। সংখ্যাটা ওই ব্লকে প্রায় ২৪ হাজার। তার আগেই এইআরও-র কাছ থেকে অব্যাহতি চাইলেন মৌসম বাবু। কারণ হিসেবে তিনি চিঠিতে জানিয়েছেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির ক্ষেত্রে যে নামের বানান ভুলের কথা বলা হচ্ছে, সেটা যেটা ২০০২ ছিল, পরে সাধারণ মানুষ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই ৮ নম্বর ফর্ম ফিলআপ করে সংশোধন করেছে। সেই কারণেই নামের বানানে গরমিল পাওয়া যাচ্ছে। বয়স ভুলের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার।

মৌসমবাবু বলেন, “দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে আমি মনে করি, এ ধরনের লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির কোনও অর্থ নেই। বড় অংশের মানুষের এবং প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের ভোট বাতিল করার উদ্দেশে এটা করা হয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির সমাধানের জন্য ক্ষেত্রে যে বারোটা নথি চাওয়া হয়েছে, এই অংশের মানুষের কাছে সেগুলি নেই। তাঁদের কাছে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড এবং রেশন কার্ড ছিল, সেগুলি নেওয়া হচ্ছে না। এতে একটা বিশেষ শ্রেণির মানুষ এবং প্রান্তিক শ্রেণির অনেক মানুষ বিপদে পড়বেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.